ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা-প্রথমপত্র
পপেল চন্দ্র সাহা, সহকারী অধ্যাপক
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা
আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ, নরসিংদী
সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১। যমুনা ব্যাংক খতিয়ান বহির পরিবর্তে কম্পিউটারে গ্রাহকদের হিসাব সংরক্ষণ করে। তথ্য আদান-প্রদানে চিঠির পরিবর্তে ই-মেইল, মোবাইল ফোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। উক্ত ব্যাংকের গ্রাহক জনাব ফাহিম। ব্যাংক তাকে এমন এক ধনের কার্ড সরবরাহ করে যাতে তিনি তার জমাকৃত অর্থের অতিরিক্ত ৬০,০০০ টাকা পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। ১০ জুন, ২০১৮ তারিখে দোকানে কার্ড ব্যবহার করে পণ্য ক্রয় করতে চাইলে দোকানদার তাকে জানায় পণ্যের মূল্য ২ লক্ষ টাকা। তাকে ১০,০০০ টাকা নগদ পরিশোধ করতে হবে।
(ক) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কী? ১
(খ) ই-রিটেইলিং ব্যবসায় দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করছে কেন? ২
(গ) যমুনা ব্যাংকে কোন ধরনের ব্যাংকিং পদ্ধতি চালু আছে? ব্যাখ্যা কর। ৩
(ঘ) ১০ জন, ২০১৮ তারিখে তার জমার স্থিতি কত ছিল ?
নির্ণয় কর। ৪
উত্তরঃ ক
উপাত্ত সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, পরিবর্ধন ইত্যাদির পাশাপাশি ইন্টারনেট প্রযুক্তির সাহায্যে তথ্যের দ্রুত আদান-প্রদান ও যোগাযোগ স্থাপনের প্রযুক্তিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলে।
উত্তরঃ খ
কোনরূপ মধ্যস্থ ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ব্যতিরেকে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্রাহকদের নিকট পণ্য ও সেবা বিক্রয়ের ব্যবস্থাকেই ই-রিটেইলিং বলে।
খুচরা ব্যবসায়ে দোকানের অবস্থান, সাজসজ্জা ও কর্মীদের মান গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু ই-রিটেইলিং এ এগুলোর আবশ্যকতা নেই। ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট ২৪ ঘণ্টা খোলা। ক্রেতা ইন্টারনেটে অর্ডার দেয় ও ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেমে মূল্য পরিশোধ করে। অতঃপর বিক্রেতা পণ্য পৌঁছে দেয়। তাই বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়ের জন্য সুবিধা থাকায় এই ব্যবসায় দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
উত্তরঃ গ
যমুনা ব্যাংকে ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং পদ্ধতি চালূ আছে।
আধুনিক ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতি দ্রুত, নির্ভুল ও বিস্তৃত কার্য পরিচালনায় সক্ষম ব্যাংক ব্যবস্থাকেই ই-ব্যাংকিং বলে। ই-ব্যাংকিং পদ্ধতিতে সকল ধরনের ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেবা প্রদান করা হয়। এপদ্ধতিতে কম্পিউটার ইলেকট্রনিক কার্ড ইত্যাদি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। যেহেতু যমুনা ব্যাংক ইলেকট্রনিক
প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাই বলা যায়, যমুনা ব্যাংকে ই-ব্যাংকিং পদ্ধতি চালু রয়েছে।
উত্তরঃ ঘ
১০ জুন, ২০১৮ তারিখে জনাব ফাহিমের জমার স্থিতির পরিমান নির্ণয় করা হলো:
দেওয়া আছে,
পণ্যের ক্রয়মূল্য = ২০,০০০০টাকা
নগদ পরিশোধ = ১০,০০০ টাকা
ঋণের পরিমান = ৬০,০০০ টাকা
জমার স্থিতি = ?
অতএব, জমার স্থিতি= ক্রয়মূল্য- (নগদ পরিশোধ+ ঋণের পরিমান)
= ২০,০০০০- (১০,০০০+৬০,০০০)
= (২০,০০০০-৭০,০০০)
= ১,৩০,০০০ টাকা
অতএব, ১০ জুন, ২০১৮ তারিখে জনাব ফাহিমের স্থিতি ছিল ১,৩০,০০০ টাকা।
