প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দর্শক ফাইনালে

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৩৩

স্পোর্টস রিপোর্টার

মোহামেডান ফাইনালে উঠতেই পারছে অনেক বছর হয়ে গেল। আবাহনী টানা তিন ফাইনাল খেলে এবার কোয়ার্টার ফাইনালেই বিদায় নিয়েছে। শেখ জামাল, শেখ রাসেল, চট্টগ্রাম আবাহনীও ফাইনালের টিকিটি খুঁজে পায়নি। রহমতগঞ্জ এবং বসুন্ধরা কিংসের ফাইনালে কতটা দর্শক হবে তা নিয়ে খানিকটা শঙ্কা ছিল। তবে মাঠে গিয়ে দেখা গেল প্রত্যাশার চাইতেও বেশি দর্শক ছিলেন ৩১তম ফেডারেশন কাপের ফাইনালে। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে মোহামেডান গ্যালারি দখলে ছিল শ পাঁচেক দর্শক রহমতগঞ্জের। বড়ো ব্যানার নিয়ে হাজির।

হাতে হাতে রহমতগঞ্জের পতাকা। তবে আবাহনীর পশ্চিম গ্যালারির পুরো জায়গাটা জুড়েই ছিল রহমতগঞ্জের সমর্থকদের দখলে। আবাহনীর খেলা হলে এই গ্যালারিতে আকাশি নীল জার্সির সমর্থকরা আসন নেয়। কাল আবাহনীর ফাইনাল না থাকলেও ফুটবল পাগল কিছু দর্শক ছুটে গিয়েছিলেন ফাইনালের সাক্ষী হয়ে থাকার জন্য। বাকি পুরোটাই ছিল রহমতগঞ্জের সমর্থকদের। এদের হাতেও ছিল পতাকা। বড়ো ব্যানার নিয়ে আগামী অভিনন্দন জানিয়ে খেলা দেখতে বসেছিলেন। পুরোনো সমর্থকদের মুখে মুখে আলোচনা এক সময় কারা খেলেছেন রহমতগঞ্জে। ৪৩ বছর পর ঢাকার মাঠে আরেকটি ফাইনালে রহমতগঞ্জ।  

এই দলে খেলা সাবেক ফুটবলার জামাল সরদার স্মরণ করে স্মৃতি হাতড়ে জানালেন বেশ কিছু নাম।   নান্নু মঞ্জু দুই ভাই এক সঙ্গে খেলেছেন। স্টাইকার এনায়েত, গাফফার, টুটুল, আশীষ ভদ্র, খোরশেদ আলম বাবুল, জনি, কায়সার হামিদ, এজাজ, বাতেন, রঞ্জন, জাহাঙ্গীর, আলফাজ খেলেছেন রহমতগঞ্জের জার্সি গায়ে। এলাকার ছেলে যারা রহমতগঞ্জের জার্সি গায়ে খেলেছেন তাদের অন্যতম হচ্ছেন সুলতান, সালাহউদ্দিন কালা, কালার ভাই জামাল সরদার, তমিজ, হাসনাত, মালা, সামাদ, সালেহ, সাহাবুদ্দিন, সোহেল, আলমগীর, নাবীব, মোস্তাক, রাজু, সাবু, সানী, জাবেদ, মঞ্জু।

বসুন্ধরার সমর্থকরা ঠাঁই নিয়েছিল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের পূর্ব গ্যালারিতে। তারাও লালসাদা ব্যানার এনে প্রদর্শন করল। গায়ে লাল রংয়ের গেঞ্জি। খেলোয়াড়দের উত্সাহ দিতে নানা আয়োজন চোখে পড়ল। আগের মৌসুমের ফেডারেশন কাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলেছিল বসুন্ধরা কিংস। প্রতিপক্ষ আবাহনী। ৩-১ গোলে হেরে ট্রফি জয়ের কষ্টটা বুকে চেপে মাঠ ছেড়েছিল। কাল আবার দ্বিতীয় বার ফাইনালে উঠে স্বপ্নটা পূরণ করল বসুন্ধরা কিংস।