চার খাতের রপ্তানি বাড়াতে যাত্রা শুরু প্রস্তুতি তহবিলের

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৫৬

বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত ব্যবসার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে :এফবিসিসিআই সভাপতি

g ইত্তেফাক রিপোর্ট

চার খাতের রপ্তানি বাড়াতে যাত্রা শুরু করল রপ্তানি প্রস্তুতি তহবিল বা এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড (ইআরএফ)। এর ফলে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, হালকা প্রকৌশল ও প্লাস্টিক খাতের উদ্যোক্তারা এ তহবিল থেকে অনুদান গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এজন্য উদ্যোক্তাদের নতুন কোনো উদ্যোগ থাকতে হবে ও তার সঙ্গে অনুদান প্রদানের ধরনের সঙ্গে মিল থাকতে হবে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ তহবিলের আকার ১ কোটি ডলার বা ৮৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ সাড়ে তিন বছর। গতকাল রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তহবিলের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এতে অতিথি ছিলেন বাণিজ্যসচিব জাফরউদ্দিন, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলএফএমইএবি) সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি জসিমউদ্দিন, বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইআরএফ থেকে তিন ধরনের অনুদান পাওয়া যাবে। এর মধ্যে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কমপ্লায়েন্সের অবস্থা নিরূপণের জন্য ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে। নিরূপণের জন্য উদ্যোক্তাকে কমপক্ষে আরো ১০ শতাংশ অর্থ জোগান দিতে হবে। ব্যবসা ও কারিগরি ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে। এতে উদ্যোক্তাকে আরো ৪০ শতাংশ অর্থ জোগান দিতে হবে। আর সেবা ও স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগের জন্য ২ লাখ ডলার পর্যন্ত অনুদান দেওয়া হবে। যেখানে উদ্যোক্তাকে যোগান দিতে হবে ৫০ শতাংশ অর্থ। অনুষ্ঠানে শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত আলোচনা করে নেওয়া উচিত। চলতি বছরের শুরু থেকে কনটেইনার হ্যান্ডলিং মাশুল বাড়ানো হয়েছে। এমন বিচ্ছিন্ন সিদ্ধান্ত আমাদের ব্যবসার খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এভাবে মাশুল বাড়ানোর কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, রপ্তানি কনটেইনারে তালার দাম ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে। এটা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। এসব উদ্যোগ দুধের মধ্যে লেবু দেওয়ার মতো। এভাবে মাশুল বাড়ানোর কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তে মনে হয় না সরকারের উচ্চপর্যায় পর্যন্ত আলোচনা হয়। এ সিদ্ধান্তগুলো মধ্যপর্যায়ে (মিডলেভেল) থেকেই নেওয়া হয়। মোটা দাগে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বাধাগ্রস্ত করে ট্যারিফ বা নন-ট্যারিফ ব্যরিয়ার।