জাতীয় পার্টি-জেপির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু চেয়ারম্যান, শেখ শহীদ সা. সম্পাদক পুনর্নির্বাচিত

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৫৭

জাতীয় পার্টি-জেপির কেন্দ্রীয় ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন-২০২০ এ দলের চেয়ারম্যান পদে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ শহীদুল ইসলাম পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-আইডিইবির মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে তারা জেপির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক পদে পুনরায় নির্বাচিত হন। আগামী তিন বছর তারা স্ব স্ব পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

কাউন্সিল অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্ব শেষে দ্বিতীয় পর্বে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। রুদ্ধদ্বার দ্বিতীয় এই পর্বে                 শুধু কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা অংশ নেন। সর্বসম্মতিক্রমে কিছু প্রস্তাবনা গৃহীত হওয়ার পর কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের সর্বসম্মতিক্রমে জেপির বিদায়ি কমিটির সাধারণ সম্পাদক দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। এরপর মঞ্চে আসন নেন নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে গঠিত নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহিম, তার সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন অন্য নির্বাচন কমিশনারগণ।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রথমে চেয়ারম্যান পদে নাম প্রস্তাবের আহ্বান জানান। বিদায়ি কমিটির নির্বাহী সম্পাদক সাদেক সিদ্দিকী নতুন চেয়ারম্যান হিসেবেও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নাম প্রস্তাব করেন, তার এই প্রস্তাব সমর্থন করেন দলের বিদায়ি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন মিরন। এ সময় উপস্থিত কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা হাত তুলে সমস্বরে এ প্রস্তাবের প্রতি নিজেদের সমর্থন জানান। আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় জেপির চেয়ারম্যান পদে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার জেপির সাধারণ সম্পাদক পদে নাম প্রস্তাবের আহ্বান জানান। সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ শহীদুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করেন দলের বিদায়ি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আজিজ বাঙাল, তার প্রস্তাবকে সমর্থন করেন বিদায়ি কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবু। সাধারণ সম্পাদক পদেও আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় শেখ শহীদুল ইসলামকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহিম।

কাউন্সিল অধিবেশনে জাতীয় শ্রমিক পার্টি, জাতীয় আইনজীবী পার্টি ও জাতীয় ছাত্রসমাজ—এই তিনটি সংগঠনকে জাতীয় পার্টি-জেপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এছাড়া সর্বসম্মতিক্রমে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাবও গৃহীত হয়। কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিগিগরই দলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানান জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদ।