উলিপুর (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
উলিপুরে বেইজিং জাতের হাঁসের খামার দিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন যুবক রেজাউল ইসলাম রেজা। সব খরচ বাদ দিয়ে প্রতিমাসে তার আয় হচ্ছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। নিজে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি স্বপ্ন দেখছেন বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের। এজন্য নিজ বাড়ির সামনে তিন থেকে চারটি পুকুর নিয়ে গড়ে তুলেছেন বেইজিং জাতের হাঁসের খামার। উপজেলার ধরনীবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামে দেখা গেছে, বাড়ির সামনে তিন-চারটি পুকুর। পুকুরে হাঁসগুলো খাওয়ার পাশাপাশি সাঁতার কাটছে।
রেজাউল ইসলাম রেজা জানান, তিন বছর আগে স্নাতক পাশ করে বাবার কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নিয়ে উলিপুর শহরে গড়ে তোলেন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। পাশাপাশি বাড়ির নিজস্ব জমিতে ছাগল পালন শুরু করেন। কিন্তু বেশিদূর এগোতে পারেননি। ছাগলগুলো রোগে আক্রান্ত হলে ভ্যাকসিন দিয়েও রক্ষা করা যায়নি। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েও থেমে যাননি তিনি। ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় বাড়ি সংলগ্ন প্রায় দুই একর ২০ শতক জমিতে তিনটি পুকুর করেন। আবারও বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে লালমনিরহাট থেকে ২০০ বেইজিং জাতের হাঁসের বাচ্চা এনে খামার তৈরির কাজ শুরু করেন। শুরু হয় উর্বর ডিম উত্পাদনের কাজও। এছাড়া পরিকল্পনা করেন বাচ্চা উত্পাদনের। নিজেই প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে তৈরি করেন ইনকিউবেটর মেশিন। পরীক্ষামূলকভাবে ৩৩০টি ডিম দিয়ে শুরু করেন বাচ্চা উত্পাদন। বর্তমানে তার খামারে ১ হাজার ৮০০ বেইজিং জাতের হাঁস রয়েছে। রেজা বেকার যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, চাকরির জন্য বসে না থেকে যে কোনো কাজের উদ্যোগ নিলে আর্থিকভাবে সফল হওয়া সম্ভব।
