তিন জেলার আয়োজনে মুখর শিল্পকলা

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২০, ২২:২২

বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সব

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সবের চতুর্থ দিনে শিল্পকলা একাডেমির নন্দনমঞ্চে গতকাল বিকালে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেয় জামালপুর, সিরাজগঞ্জ ও পঞ্চগড় জেলার শিল্পীরা। জেলার পরিবেশনা শুরুর আগে শিল্পকলা একাডেমি ঢাকার পরিবেশনায় ছিল অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী। বরেণ্য শিল্পী সৈয়দ হাসান ইমামের একক আবৃত্তি, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিল্পীদের পরিবেশনায় সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সাফান, শুপ্ত, শুসমী, অমিত, সাফিন ও লিথি। একক সংগীত পরিবেশন করে একাডেমির শিশু সংগীত দলের শিল্পী শ্রাবন্তী। দ্বীপা খন্দকারের পরিচালনায় দুটি সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে দিব্য সাংস্কৃতিক সংগঠন। জামালপুর জেলার পরিবেশনার শুরুতে জারি গান এবং দেশাত্মবোধক সংগীত পরিবেশন করে শিল্পী টুটুল মাহমুদ, আশরাফুল হোসাইন, কাওসার আহমেদ, সাকিব হাসান শুভ, মো. সুমন মিয়া, নাজিমা আনছারী, শ্রাবন্তী, শশী ও শ্রেয়া। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে জনি, রাসেল, তপু, আকাশ, অন্তরা, রূপন্তী, সোনিয়া, সাথী, বিথী ও সুমী। একক সংগীত জাতীয় পর্যায়ের তারকা শিল্পী টুটুল খান এবং উপজেলা পর্যায়ের শিল্পী সুমি আক্তার পরিবেশন করে লালনগীতি। যন্ত্রে সানাইয়ের সুর তোলেন শিল্পী মো. কবির, সঞ্জীব সেন, মো. বুলবুল ইসলাম, সেলিনা বেগম ও অজন্তা রহমান।

সিরাজগঞ্জ জেলার পরিবেশনায় সমবেত সংগীত পরিবেশন করে শিল্পী ড. জান্নাত আরা হ্যানরী, রাশু, আশিষ, সাইফুল, দুর্জয়, সুইটি, রেনেসাঁ, প্রিয়ন্তী, আশা ও স্বপ্না সাহা। দুটি সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পী ড. জান্নাত আরা হ্যানরী, রাশু, লাজ, হুমায়রা, বিধা, জয়া, অনুরাধা, মামুন, ওসমান, সজীব, তালেব ও সাগর, একক সংগীত পরিবেশন করে জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী ড. জান্নাত আরা হ্যানরী এবং উপজেলা পর্যায়ে স্বপ্না সাহা এবং যন্ত্র সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী আজাদ রহমান, লিটন দাস, শাওন ও মানিক।

পঞ্চগড় জেলার পরিবেশনায় সমবেত সংগীতে শিল্পী ছিলেন নুরনবী জিন্নাহ, মো. মাহবুব, শিহাব, আদনান, মঞ্জু ইসলাম, আব্দুল মান্নান, পলি দত্ত, সাবরিনা, শবনম মীম, রোকসানা আক্তার ও মুক্তা রানি; সমবেত নৃত্যে ছিলেন সুমন, পলাশ, লিটু, আনান, উমর ফারুক, লিপু, জ্যোতি, অহনা, নীড় ও তিলোত্তমা দাস; একক সংগীত পরিবেশন করেন জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী স্বরনীকা বিশ্বাস এবং উপজেলা পর্যায়ের শিল্পী রোকসান আক্তার এবং যন্ত্র সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী রঞ্জিত সরকার, জ্যোতি, রউস ও রুহিনী সিংহ। অতিথি ছিলেন পঞ্চগড় জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আবু তোয়াবুর রহমান।

একাডেমি প্রাঙ্গণে রাত ৮টায় দর্শনীর বিনিময়ে অনুষ্ঠিত হয় কুষ্টিয়ার ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য পদ্মার নাচন। রেজাউল সলকের নির্দেশনায় এবং রেজাউল সলক ও নছিমন নাট্যগোষ্ঠীর পরিবেশনায় ছিল ‘চাঁদ সওদাগড়ের বাণিজ্য পালা ও বেহুলার বিয়ে’ যাত্রা পালা।