পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে রাজউক ও চউকে মিলছে সুফল

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২০, ২২:২২

ইত্তেফাক রিপোর্ট

 রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) আগে ভবন নির্মাণে নকশার অনুমোদন পেতে ১৬টি ধাপ পার হওয়ার দরকার হতো আবেদনকারীকে। কিন্তু গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করীমের ঘোষণার পর সেই সেবা মিলছে চার ধাপেই। তিনি একটি অনুষ্ঠানে গত বছর ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভূমি ছাড়পত্রসহ চারটি স্তরে সাত থেকে ৫৩ দিনের মধ্যে সেবা পাবে সেবাগ্রহীতা। তিনি বলেন, আবেদনকারীর কাগজপত্র ঠিক থাকলে সাত দিনেই অনুমোদন পাওয়া যাবে। আগে এই নকশা পেতে সময় লাগত ১৬৫ দিন। মন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর গত বছরের মে মাস থেকে এই সেবা কার্যকর করেছে রাজউক। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এমন উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলছেন নগরবিদরা। তারা বলেন, এই উদ্যেগের কারণে সাধারণ মানুষের হয়রানি কমেছে। সেবা সংস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। এর আগে আবেদনকারীকে দিনের পর দিন ঘুরতে হতো কর্তৃপক্ষের বারান্দায় বারান্দায়। বিভিন্ন ধরনের উত্কচ ছাড়া কাজ হতো না। বছরের পর বছর এ ভোগান্তির প্রতিকারে কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এতে সেবাগ্রহীতাগার ভোগান্তি, ব্যয় ও সময় সাশ্রয় হচ্ছে।

এছাড়া গণপূর্ত মন্ত্রণালয় নিয়েছে আরো কিছু কার্যকরী উদ্যোগ। এর মধ্যে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ২৬টি সেবা প্রদান পদ্ধতি সহজ ও সেবা প্রদানের সময়সীমা হ্রাস করা হয়েছে। সরকারি বাসা বরাদ্দে স্বচ্ছতা আনার জন্য ৭৬৬টি বাসা অনলাইনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়সহ আওতাধীন দপ্তরসমূহে ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।