বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও ঢাকা-৮ আসনের এমপি রাশেদ খান মেননের সংসদ সদস্যপদ বাতিল চেয়ে দায়েরকৃত রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন।
গত ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন আইনজীবী ইউনূস আলী আকন্দ। রিটকারী ইউনূস একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন হতে জাতীয় পার্টির (জাপা) একজন প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন রাশেদ খান মেননের কাছে।
গত ১৯ অক্টোবর বরিশাল নগরীতে ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কমিটির সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ খান মেনন বলেছিলেন, ‘আমি নিজেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। তারপরেও আমি সাক্ষ্য দিয়ে বলছি—এই নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদেও ভোট দিতে পারে না, উপজেলায়ও পারে না। তাহলে শেখ হাসিনা আপনি-আমি মিলে যে ভোটের জন্য লড়াই করেছি, ঘেরাও করেছি আজিজ কমিশনকে। আমরা ১ কোটি ১০ লাখ ভুয়া ভোটার-তালিকা ছিঁড়ে ফেলার জন্য নির্বাচন বর্জন করেছিলাম নমিনেশন জমা দেওয়ার পরেও। আজকে কেন আমার দেশের মানুষ, ইউনিয়ন পরিষদের মানুষ, আমার উপজেলার মানুষ, আমার জেলার মানুষ, আমার জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারবে না?’
রাশেদ খান মেননের এই বক্তব্য তুলে ধরে রিটে বলা হয়, এ কারণে তার সংসদ সদস্য পদ থাকতে পারে না। কারণ উনি নিজেই ভোটগ্রহণের বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। নৈতিক কারণে তার এমপি পদ খারিজযোগ্য। শুনানি নিয়ে আবেদনটি খারিজ করে দেয় আদালত।
