স্পোর্টস রিপোর্টার
ঢাকা প্লাটুনস ভালোমতোই সেরা চারের দৌড়ে আছে। বাকি তিন ম্যাচে একটি জয় হলেই সেরা চারে চলে যাবে তারা। দুটি বা তার বেশি জয় পেলে সেরা দুইয়েও যাওয়া সম্ভব। কিন্তু ঢাকা প্লাটুনসের কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলছেন, তারা এখন সেরা দুই নিয়ে ভাবছেন না। তাদের চিন্তায় এখন কেবলই সেরা চার নিশ্চিত করা।
সালাউদ্দিন মনে করেন, তাদের সামনে থাকা প্রতিটা ম্যাচকেই সমান গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। সেই সঙ্গে আগে তারা সেরা চার নিশ্চিত করতে চান, ‘আমি আসলে এখনো সেরা দুই নিয়ে চিন্তা করছি না। এখন আমার সেরা চারে যাওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পরের ম্যাচটিও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আরো দুই পয়েন্ট লাগবে, যেটা দিয়ে আমরা হয়তো সেরা চার নিশ্চিত করতে পারব। এরপরে হয়তো দেখা যাবে। তখন চিন্তা করব যে, সেরা দুইয়ে যাওয়া যায় কি না। তবে পরের ম্যাচটি আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’
ঢাকাকে আগামী চার দিনে খেলতে হবে তিনটি ম্যাচ। এ ছাড়া এই দলটি শুরুর তিন দিনেও তিন ম্যাচ খেলেছিল। এই ব্যাপারটাতে একটু অসন্তুষ্ট সালাউদ্দিন বলছিলেন, ‘আমার মনে হয় ফিক্সচারটি আরেকটু ভালো হতে পারত। প্রথম তিন দিনে আমরা তিনটি ম্যাচ খেলেছি। এটা আসলে বেশ কঠিন হয়ে যায় খেলোয়াড়দের জন্য। টি-টোয়েন্টিতে অনেক বেশি চাপের ম্যাচ এগুলো। এখানে যদি ক্রিকেটাররা বিশ্রাম পেত তাহলে আমার মনে হয় আরো ভালো হতো। শেষের দিকে এসেও কিন্তু আমাদের চার দিনে তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে। তাই ফিক্সচারটি আরেকটু ভালো হলে সবার সুবিধা হতো।’
নিজেদের দলের কৌশলের কথা বলতে গিয়ে সালাউদ্দিন বলছিলেন, তারা স্থানীয় ক্রিকেটারদের ওপরই বেশি ভরসা করছেন, ‘আমার মনে হয় পুরো টুর্নামেন্টের সাতটি দলের মধ্যে আমাদের স্ট্র্যাটেজিটা একটু অন্যরকম। কারণ আমরা হয়তো একমাত্র দল যারা স্থানীয়দের প্রতি বেশি নির্ভর করি। টপ ফাইভেও স্থানীয় ক্রিকেটাররাই খেলে। এটা আমাদের স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য ভালো।’
ঢাকার তামিম ইকবাল নিয়মিত রান পাচ্ছেন। কিন্তু সমস্যা হলো তিনি উইকেটে থিতু হতে অনেক সময় নিচ্ছেন। এই ব্যাপারটা ঢাকাকে চাপে ফেলছে বলে অনেকের ধারণা। কিন্তু সালাউদ্দিন বলছিলেন, ‘আমাদের দলটি যেভাবে করা হয়েছে এখানে তামিমের আলাদা একটা ভূমিকা আছে। কারণ আমার মনে হয়, তামিম যতক্ষণ উইকেটে থাকবে ততক্ষণ আমাদের জন্য সুবিধা থাকবে। কারণ আমার কাছে মনে হয় নিচে অনেক পাওয়ার হিটার আছে। একটা খেলোয়াড় থাকবে যে লম্বা ইনিংস খেলবে। এই কারণে আমি মনে করি, তামিম ইকবাল যেভাবে খেলছে তাতে আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক খুশি। আমার মনে হয়, সে যখন জাতীয় দলে খেলবে তখন তার ভূমিকা আরেক রকম হতে পারে। এই দলের জন্য সে যেভাবে খেলছে সেটা একেবারে যথার্থ বলে আমি মনে করি।’
