মহাত্মা গান্ধীর সার্ধশত জন্মবার্ষিকীতে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২০, ২২:০৫

জমজমাট বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সব

ইত্তেফাক রিপোর্ট

অহিংস আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গোটা উপমহাদেশে স্মরণীয় হয়ে আছেন মহাত্মা গান্ধী। নিজের জীবনে মহত্ত্বের ছাপ রেখেছেন বলে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী থেকে মানুষের ভালোবাসায় সর্বজনীনভাবে হয়েছেন মহাত্মা গান্ধী। এ বছর তার ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। এই কীর্তিমানের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উদযাপনে শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে ‘গান্ধীর ১৫০ আর্ট’ প্রদর্শনী। ৩০টি চিত্রকর্ম, ১৮টি আলোকচিত্র ও দুটি ভাস্কর্যসহ মোট ৫০টি শিল্পকর্ম দিয়ে সাজানো হয়েছে ১০ দিনের এই প্রদর্শনী।

মহাত্মা গান্ধীর ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন পরিষদ ও শিল্পকলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে গতকাল একাডেমির চিত্রশালার ৪ নম্বর গ্যালারিতে শুরু হয় এই প্রদর্শনী।

এর আগে চিত্রশালা মিলনায়তনে উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতায় অতিথি ছিলেন কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, সংসদ সদস্য মির্জা আযম, এইচ এম ইব্রাহিম। এতে স্বাগত বক্তৃতা করেন চারুকলা বিভাগের পরিচালক আশরাফুল আলম পপলু। আয়োজনের শুরুতেই রেকর্ডে বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। ১৬ জানুয়ারি শেষ হবে ১০ দিনের এই প্রদর্শনী।

নাচ, গান, অ্যাক্রোবেটিক শো, লোকনাট্য সংস্কৃতির পরিবেশনায় জমে উঠেছে শিল্পকলা একাডেমির নন্দনমঞ্চ ও উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ। ২১ দিনের চলমান বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সব ২০২০’-এর পঞ্চম দিন গতকাল মঙ্গলবারও শিল্পকলা একাডেমিতে শিল্পানুরাগীদের সরব উপস্থিতি লক্ষণীয় ছিল। এ দিনের আয়োজনের শুরুতেই একাডেমির নন্দনমঞ্চে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। এরপরে একাডেমি বৈচিত্র্যপূর্ণ ও চমকপ্রদ শারীরিক কসরতের মধ্য দিয়ে অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে শীতের সন্ধ্যাকে অনন্য করে তোলেন শিল্পীরা। এ দিনের আয়োজনে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পরিবেশনা পর্বে দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করে হিসাম, শুপ্ত, তেসিফ, জাবের, সাফিন ও স্বর্ণালি। একক আবৃত্তি করে লায়লা আফরোজ। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে সৃষ্টি কালাচারাল একাডেমি। জেলার পরিবেশনা পর্বে অংশ নেয় রাজবাড়ী, বগুড়া ও মৌলভীবাজারের শিল্পীরা। রাত ৮টায় একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে পরিবেশিত হয় ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য ‘গুণাই বিবির পালা’।