কোথাও কোথাও শৈত্যপ্রবাহ

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২০, ২২:১৫

দেশের কয়েকটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ। আরো দুই-তিন দিন এই অবস্থা অব্যাহত থাকতে পারে। শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষ পড়েছে ভোগান্তিতে। শীতের তীব্রতার পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত পড়ছে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলে আবারও বৃষ্টি নামবে। এ সময় শীত আরো জেঁকে বসবে। ফলে কনকনে ঠান্ডায় আবারও দুর্ভোগে পড়বে মানুষ। এদিকে পৌষের শেষ দিকে ঢাকায় ভোর থেকে দিনের বেশির ভাগ সময় শীত অনুভূত হয়েছে। এদিন ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার। এই দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বা তার বেশি বাতাস প্রবাহিত হলে শীত বেশি অনুভূত হয়। গতকাল ঢাকার বাতাসে সেই          অবস্থা বিরাজমান ছিল। এদিকে আজ বুধবার অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। পাবনা, টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, যশোর অঞ্চলসহ রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়ার অবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে না বলে মনে করছে অধিদপ্তর।

ইত্তেফাকের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, মাঝে কয়েক দিনের বিরতি দিয়ে দেশ জুড়ে শীতের তীব্রতা ফের বেড়েছে। ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কিছুটা স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ছে শীতের রোগবালাই। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৫-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেছে।