ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ওয়ার্ড-১৪
নিলয় মামুন
মিরপুরের কাজী পাড়া, শেওড়া পাড়া, সেন পাড়া পর্বতা নিয়ে গঠিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ড। অপরিকল্পিত এলাকা ও সরু রাস্তার কারণে যানজট এই এলাকার নিত্যদিনের চিত্র। যানজট ছাড়াও নাগরিক সেবার বিভিন্ন ঘাটতি রয়েছে এখানে। এই ওয়ার্ডে এবার আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে সমর্থনের বাইরে রয়েছে একাধিক প্রার্থী। এমনকি বর্তমান কাউন্সিলর মো. হুমায়ুন রশিদ জনিও নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন না পেয়েও স্বতন্ত্র নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন পেয়েছেন মো. মইজউদ্দিন। তিনি ১৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়মী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের বিষয়ে হুমায়ুন রশিদ বলেন, এর আগের নির্বাচনেও আমি দল থেকে সমর্থন না পেয়ে নির্বাচন করেছিলাম। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। এবারও আমি দল থেকে সমর্থন পাইনি। কিন্তু এই এলাকার মানুষের অনুরোধে আমি নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যাকে দল থেকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে তাকে এলাকার ৮০ ভাগ বাসিন্দা চেনে না। ইতিমধ্যে এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় এই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের নিয়ে তাকে বৈঠক করতে দেখা গেছে। এমন এক বৈঠকে তিনি আরো জানান, আমার কিছু কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে, আমি নির্বাচিত হতে পারলে সেগুলো সম্পন্ন করব। এই এলাকায় দুটি পানির পাম্প বসানোর ব্যবস্থা করেছি। বহু রাস্তা সংস্কারের ব্যবস্থা করেছি। জনগণের প্রয়োজনেই আমি আবার নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো.মইজউদ্দিন বলেন, আমি চাইব দলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন বিদ্রোহী প্রার্থী। দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী আমার পক্ষে আছেন। নেত্রী আমাকে সমর্থন দিয়েছেন, আমি বিজয়ের মাধ্যমে সেই সমর্থনের মর্যাদা রাখব। তিনি আরো বলেন, এই অপরিকল্পিত ওয়ার্ডে আমি নির্বাচিত হতে পারলে একটি পরিকল্পিত আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলব। এদিকে এই ওয়ার্ডে এবার বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল দলীয় নেতা আকতার হোসেন জিল্লুকে। তিনি নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ওয়ার্ডে আমি বিএনপি থেকে আহসান উল্লাহ চৌধুরী হাসানকে সমর্থন জানিয়েছি। আহসান উল্লাহ চৌধুরী হাসান কাফরুল থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ভোট হলে এলাকার মানুষ আমার পক্ষে রায় দিবে।
