গোপালগঞ্জে মিড ডে মিল কর্মসূচির উদ্বোধন
ইত্তেফাক রিপোর্ট
প্রথমবারের মতো রান্না করা খাবার পেয়ে খুব খুশি শিক্ষার্থীরা। আগে তারা বিস্কুট পেতো। অনেকে তা খেত না। এখন খিচুড়ি দেওয়া হচ্ছে, যা শিশুদের উত্সবের আমেজ সৃষ্টি করেছে। স্কুলেই শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা ও ক্ষুধা নিবারণের জন্য সারাদেশে দৈনিক দুপুরে শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে রান্না করা খাবার। এতে থাকবে দৈনিক পুষ্টি চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ ক্যালরি।
মঙ্গলবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মিড ডে মিল কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে উপজেলার নিলফা বয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন। টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ৮৩টি বিদ্যালয় আছে। এরমধ্যে মঙ্গলবার ৩৩ স্কুলে চালু হলো এই কার্যক্রম। শিগগির বাকি স্কুলগুলোতেও তা শুরু হবে। তিন দিন সবজি খিচুড়ি, বাকি তিন দিন বিস্কুট দেওয়া হবে। প্রতিদিন প্রতিটি শিশুকে ৫৩৩ ক্যালরি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হবে। তবে যেদিন ডিম খিচুরি দেওয়া হবে সেদিন পাবে ৬৩০ ক্যালরি। দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় ২০০০ সাল থেকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চলছে। এর আওতায় শিশুরা পুষ্টিকর উন্নত বিস্কুট পাচ্ছে। এখন বিস্কুটের পরিবর্তে রান্না করা খাবার দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ১ জানুয়ারি সারাদেশের ১৬ উপজেলায় মিড ডে মিল কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এবছর পরিক্ষামূলক বাস্তবায়ন হচ্ছে। আগামী বছর সারাদেশের স্কুলে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।
আরো বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের সভাপতি গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) সোহেল আহমেদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রতন চন্দ্র পণ্ডিত, এ প্রকল্পের পরিচালক রুহুল আমিন খান, বিশ্বখাদ্য কর্মসূচির ড. শহীদুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলি খান প্রমুখ।
