শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ঢাকাকে হারিয়ে শীর্ষে থাকল খুলনা

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২০, ০০:২৪

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের তৃতীয় সেঞ্চুরি করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। টুর্নামেন্টের এই আসরে প্রথম বাংলাদেশি সেঞ্চুরিয়ানও শান্ত। মোহাম্মদ আশরাফুল, শাহরিয়ার নাফিস, সাব্বির রহমান ও তামিম ইকবালের পর বিপিএলের ইতিহাসে সেঞ্চুরি করা পঞ্চম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান এই বাঁহাতি ওপেনার। তার সেঞ্চুরিতেই গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে ঢাকা প্লাটুনকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স।

খুলনার জয়ে শেষ হলো বঙ্গবন্ধু বিপিএলের লিগ পর্ব। গতকাল লিগ পর্বের শেষ ম্যাচের মধ্য দিয়েই চূড়ান্ত হয়েছে প্লে-অফের লাইনআপ। ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে থাকায় শীর্ষে থাকল খুলনা। পয়েন্ট খুলনার সমান হলেও রান রেটে পিছিয়ে থাকায় দ্বিতীয় স্থানে রাজশাহী রয়্যালস, তৃতীয় স্থানে থাকছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে প্লে-অফের চতুর্থ দল ঢাকা।

আগামীকাল (১৩ জানুয়ারি) প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহীর মুখোমুখি হবে খুলনা। একইদিনে এলিমিনেটর ম্যাচে ঢাকা খেলবে চট্টগ্রামের বিপক্ষে। ১৫ জানুয়ারি দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে খেলবে এলিমিনেটরে জয়ী এবং প্রথম কোয়ালিফায়ারে পরাজিত দল। ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে প্রথম কোয়ালিফায়ার ও দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জয়ী দল।

রান তাড়ার মিশনে নেমে শান্তর সেঞ্চুরিতে ১৮.১ ওভারে ২ উইকেটে ২০৭ রান করে ম্যাচ জিতে নেয় খুলনা। মিরাজের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতে ৭০ রান তোলে খুলনা। মিরাজ আউট হন ৪৫ রান করে। তারপরই ব্যাট হাতে ঝড় তুলেন নাজমুল শান্ত। রুশোর সাথে ৮১ রানের জুটি গড়েন তিনি। রুশো ২৩ রান করে ফিরেন। ৫১ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শান্ত। মুশফিককে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন এই তরুণ। ৫৭ বলে অপরাজিত ১১৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন শান্ত। যেখানে ছিল ৮টি চার ও ৭টি ছয়। মুশফিক ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে মুমিনুল হক ও মেহেদী হাসানের জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ২০৫ রানের বড়ো স্কোর গড়েছিল ঢাকা। ৩৫ রানে ৩ উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরেন মুমিনুল- মেহেদী। তারা ১৫৩ রানের জুটি গড়েন। ওপেনিংয়ে নেমে ১৯তম ওভারে ফেরা মুমিনুল ৫৯ বলে ৯১ রান (৭ চার, ৪ ছয়) করেন। মেহেদী ৩৬ বলে ৬৮ রান (৩ চার, ৫ ছয়) করে অপরাজিত ছিলেন। বিজয় ১০, জাকের আলী ১৪ ও থিসারা পেরেরা অপরাজিত ৬ রান করেন। খুলনার পক্ষে ফ্রাইলিঙ্ক ২টি, আমির-শফিউল ১টি করে উইকেট পান।