ভাটারায় কিশোরীকে গণধর্ষণ, রামপুরায় দুই তরুণী ধর্ষণের শিকার

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২০, ০০:৩৫

রাজধানীর ভাটারায় এক কিশোরীকে (১২) গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার রাতে তাকে ঢাকা মেডিক্যালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে ভাটারা এলাকাতেই থাকে ধর্ষণের শিকার ঐ কিশোরী। এ গণধর্ষণের অভিযোগে চার কিশোরের বিরুদ্ধে গত শুক্রবার রাতেই রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে রামপুরায় দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মুশফিকুল আলম (৩৮) নামে এক বাবুর্চিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে ধর্ষণের শিকার দুই তরুণী মুশফিক আলমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে দুটি মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

ভাটারায় ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বড়ো বোন জানান, তারা ভাটারা এলাকায় থাকেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে একটি ছেলে বাসার সামনে থেকে তার বোনকে জোর করে ধরে নিয়ে যায়। রাতভর তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। গত শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে ভাটারার একটি রাস্তায় তাকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা  সেখানে গিয়ে  তাকে উদ্ধার করেন। ঐ কিশোরীর বোন বলেন, তারা জানতে পেরেছেন, একটি ছেলে বাসার সামনে থেকে তার বোনকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। পরে  বোনের চোখ-হাত-পা বেঁধে চার জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। ভাটারা থানার এসআই মো. জুয়েল জানান, এ ঘটনায় স্থানীয় হালিমের ছেলে ও অজ্ঞাতনামা তিন জনসহ মোট চার কিশোরের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

এদিকে রামপুরা থানার এসআই আক্তারুজ্জামান মুন্সি জানান, রামপুরায় দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মুশফিকুল আলম নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ঐ দুই তরুণী রামপুরায় একটি বাসায় থাকেন। তাদের মধ্যে একজন নিরাপত্তাকর্মী ও আরেকজন একটি দোকানে চাকরি করেন। ঐ বাসায় বাবুর্চির চাকরি করত মুশফিকুল। গত ১ জানুয়ারি প্রথমে এক তরুণীকে ধর্ষণ করে মুশফিক। গত বৃহস্পতিবার একইভাবে আরেক তরুণীকে ধর্ষণ করে সে। এ ঘটনায় ঐ দুই তরুণী বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে থানায় মামলা করলে মুশফিকুলকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করেছে। গতকাল শুক্রবার ভোরে ঐ দুই তরুণীকে ঢাকা  মেডিক্যালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।