সুজানগরে বেকার হয়ে পড়ছেন মত্স্যজীবীরা!

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২০, ২১:১৫

নদী খননের দাবি

সুজানগর (পাবনা) সংবাদদাতা

পাবনার সুজানগরে পদ্মা নদীর কোলের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় উপজেলার প্রায় ছয় হাজার মত্স্যজীবী বেকার হয়ে পড়েছেন। তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অভাব-অনটনে দিনাতিপাত করছেন। বেকার মত্স্যজীবীরা পদ্মা নদীর কোল খনন করে সারা বছর পানি প্রবাহের ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলার তারাবাড়ীয়া গ্রামের মত্স্যজীবী আবেদ আলী জানান, প্রতি বছর ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে পদ্মার পানি একদম কমে গেলেও পদ্মার কোলে বেশ পানি থাকে। অনেকটা বর্ষার ভরা মৌসুমের মতোই কোলে পানি থাকে। বিশেষ করে উপজেলার সাতবাড়ীয়া, নিশ্চিন্তপুর, গোয়ারিয়া, মালিফা, মালফিয়া, মহনপুর এবং কামারহাট এলাকায় পদ্মা নদীর কোলে পর্যাপ্ত পানি থাকে। এ সময় পদ্মাপাড়ের মত্স্যজীবীসহ উপজেলার প্রায় ছয় হাজার মত্স্যজীবী পদ্মার কোল থেকে রুই, কাতলা এবং বোয়ালসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোটো-বড়ো মাছ ধরে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। কিন্তু এ বছর ডিসেম্বর মাসের শুরুতেই পদ্মার পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঐ সকল কোলের পানিও একদম শুকিয়ে বালুচরে পরিণত হয়েছে। এতে মত্স্যজীবীরা কোলে মাছ ধরতে না পারায় বেকার হয়ে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী মত্স্যজীবীরা পদ্মা নদীর ঐ কোল খনন করে সারা বছর পানি প্রবাহের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা আব্দুল হালিম বলেন, পদ্মার কোল খননের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব। তবে বিষয়টি অনেক জটিল এবং ব্যয়বহুল।