ইথিলিন একটি গ্যাসীয় পদার্থ

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:৫৬

মো.আসাদ-উজ্জামান (জুয়েল)

বি.এস-সি (অনার্স), এম.এস-সি

 

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য আজ দশম অধ্যায় সমন্বয় থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর দেয়া হলো:

 

ফ্লোরিজেন : ফ্লোরিজেন উদ্ভিদের ফুল উত্পন্নকারী একটি ফাইটোহরমোন। এটি পাতায় উত্পন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্র মুকুলকে পুষ্পমুকুলে পরিণত করে।

ইথিলিন : ইথিলিন একটি গ্যাসীয় পদার্থ। এ হরমোনটি ফুল, ফল, পাতা, বীজ ও মূলে দেখা যায়। এর প্রভাবে চারা গাছের বিকৃত বৃদ্ধি লক্ষ করা যায়।

অ্যাবসিসিক এসিড : এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধিরোধক ফাইটোহরমোন।

কাজ/ প্রভাব :

এর প্রভাবে উদ্ভিদের পাতা ঝরে যায়।

কুঁড়ি ঝরে যায়।

কুঁড়ির বৃদ্ধি রহিত হয়।

ট্রপিক চলন :

আলো, ভূমি, পানি ও রাসায়নিক পদার্থের প্রভাবে উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গের চলন ঘটে। এরূপ চলনকে উদ্ভিদের ট্রপিক চলন বলে। কিছু কিছু অভ্যন্তরীণ ও বহি:উদ্দীপক উদ্ভিদ দেহে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে, ফলে উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গের বৃদ্ধি ঘটে ও চলন সংঘটিত হয়।

যেমন- আলোর প্রভাবে উদ্ভিদের কাণ্ডের আলোর দিকে চলন।

স্নায়ুকোষ / নিউরন : স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে নিউরন বলে। এটি মানব দেহের দীর্ঘতম কোষ। নিউরন প্রধানত দুটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা- ক. কোষদেহ

খ. প্রলম্বিত অংশ

কোষদেহ : নিউরনের কোষদেহ গোলাকার, ডিম্বাকার বা তারকাকার হতে পারে। কোষ ঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস নিয়ে গঠিত। এই কোষে কোনো সেন্ট্রিওল থাকে না তাই স্নায়ুকোষ বিভাজিত হয় না।

প্রলম্বিত অংশ : কোষদেহ থেকে উত্পন্ন শাখা-প্রশাখা গুলোকে প্রলম্বিত অংশ বলে। এটি আবার দুটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-

ডেনড্রাইট

 অ্যাক্সন

ডেনড্রাইট : কোষদেহের চারিদিক থেকে উত্পন্ন একাধিক ছোট ছোট শাখাকে ডেনড্রন বলে। ডেনড্রন থেকে সৃষ্ট শাখাগুলোকে ডেনড্রাইট বলে। ডেনড্রাইট স্নায়ু তাড়না কোষদেহে প্রেরণ করে।

অ্যাক্সন : কোষদেহ থেকে উত্পন্ন লম্বা সুতার মতো অংশকে অ্যাক্সন বলে। একটি নিউরনে একটি মাত্র অ্যাক্সন থাকে। এরা কোষদেহ থেকে স্নায়ু তাড়না অন্য নিউরনে প্রেরণ করে।

 

সিন্যাপস : পর পর অবস্থিত দুটি নিউরনের সন্ধিস্থল হলো সিন্যাপস। একটি নিউরনের অ্যাক্সনের সাথে দ্বিতীয় নিউরনের ডেনড্রাইট যুক্ত থাকে। এর মাধ্যমে স্নায়ু তাড়না প্রবাহিত হয়ে এক নিউরন থেকে অন্য নিউরনে যায়।

কাজ : ১। এর প্রধান কাজ উদ্দীপনা পরিবহন করা।

২। প্রাণিদেহের ভেতর ও বাইরের পরিবেশের সাথে সংযোগ রক্ষা করা।

৩। প্রাণিদেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা।

৪। মস্তিষ্কে স্মৃতি ধারণ করা।

৫। চিন্তা করা ও বিভিন্ন কাজের নির্দেশ দেওয়া।

স্নায়ুতন্ত্র (Nervous System)  : প্রাণিদেহের যে তন্ত্র দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সংযোগ রক্ষা করে বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলীর সমন্বয় সাধন করে এবং উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করার মাধ্যমে পরিবেশের সাথে সম্পর্ক রক্ষা করে তাকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।