গোলাম মোস্তফা আনছারী, স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর
রংপুরের মডার্ন মোড় থেকে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের সড়ক জুড়ে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ আর বড়ো বড়ো গর্তের। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে যাত্রীসহ সকল ধরনের হাজার-হাজার পরিবহন ও অন্যান্য পথচারীরা। সড়কের বেহালের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, নিম্নমানের সংস্কার কাজ, বৃষ্টির পানি জমে থাকা ও অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করায় মহাসড়কটির প্রায় স্থানে বড়ো বড়ো গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। রংপুর মডার্ন থেকে তিস্তা সড়ক সেতু পর্যন্ত বেহাল।
ট্রাক চালক আজিজ ও মনোয়ার হোসেন বলেন, বুড়িমারী স্থলবন্দরে গেলেই ট্রাক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কখনো ট্রাক উলটে মালপত্র নষ্ট হচ্ছে। রংপুর থেকে জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে এ মহাসড়কে চলতে হয়। খুব প্রয়োজন ছাড়া এ মহাসড়কে গাড়ি চালাই না।
মহাসড়কের নিয়মিত যাত্রী কলেজ শিক্ষক বাদল রহমান বলেন, একই বরাদ্দে পাটগ্রাম হাতীবান্ধায় সংস্কার কাজ ভালো হলেও আদিতমারী, কালীগঞ্জ ও সদর উপজেলা অংশে নামমাত্র কাজ করায় মহাসড়কের এই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় কাদাপানি আর শুষ্ক সময়ে ধূলিকণায় পথচলা দায়।
রংপুরের জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম শফিকুজ্জামান বলেন, রংপুরের মডার্ন মোড় থেকে তিস্তা সড়ক সেতু পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন চলাচলের জন্য প্রায়ই সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা হচ্ছে। তবে এই সড়কের টেন্ডার করা হয়েছে। বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়ন প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছে। ঠিকাদার নিয়োগ হলেই সংস্কার কাজ শুরু হবে।
লালমনিরহাটের বড়বাড়ি শহিদ আবুল কাশেম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজার মিঠু বলেন, মহাসড়কটি লালমনিরহাটের বড়বাড়ি-বুড়িমারী নামকরণ করা হলেও এলজিইডির বিকল্প সড়ক হিসেবে রংপুর-কুড়িগ্রাম সড়কের মুস্তফি থেকে সব যানবাহন চলাচল করে বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে। এক মাসের ব্যবধানে এই সড়কটিও যান চলাচলে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। লালমনিরহাট সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুব আলম জানান, পলাশি থেকে ১৯ কিলোমিটার সংস্কারের জন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে। অনুমোদন পেলেই ঠিকাদার নিয়োগ করে সংস্কার করা হবে।
