সংসদে শিক্ষামন্ত্রী
ইত্তেফাক রিপোর্ট
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংসদকে জানিয়েছেন, সার্টিফিকেট বাণিজ্য বন্ধ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে নিয়মিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মনিটরিং করা হচ্ছে। প্রত্যেকটি প্রোগ্রামের জন্য ক্রেটি আওয়ার ও সেমিস্টার আগে থেকে নির্ধারণ করার মাধ্যমে নির্দিষ্টসংখ্যক আসনের ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করায় শিক্ষার নামে সার্টিফিকেট বাণিজ্য বহুলাংশে বন্ধ হয়েছে। গতকাল সোমবার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের এমপি নাছিমুল আলম চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান। শিক্ষামন্ত্রী জানান, অসাধু চক্রের যোগসাজশে পরিচালিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আউটার ক্যাম্পাস বন্ধ করা হয়েছে এবং অননুমোদিত ক্যাম্পাস বন্ধের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দূরশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। একই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশে সরকার অনুমোদিত ১০৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৪টির কার্যক্রম চলছে। অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ভালো। কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে তাদের মধ্যে অধিকাংশ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। আদালতের রায়ে একটি বেসরকারি (দারুল ইহসান) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে।
মুজিববর্ষ থেকে ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী ৫০০ টাকা করে পাবে: এদিকে এক প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সংসদকে জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে যাওয়ার আনন্দকে আরো জোরাল করতে প্রতিটি স্কুলের ছাত্রছাত্রীকে বছরের শুরুতে শিক্ষা উপকরণ (ড্রেস, জুতা, ব্যাগ) কেনার জন্য প্রাথমিকভাবে ৫০০ টাকা করে প্রদানের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন। স্কুলের সার্বিক পরিবেশ ও ছাত্রছাত্রীদের মানসিক অবস্থা অধিকতর প্রফুল্লকরণের জন্য প্রতি বছর শুরুতে ছাত্রছাত্রীদের উপবৃত্তির পাশাপাশি ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ দেওয়ার জন্য প্রতি বছরের শুরুতে এককালীন ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের জন্য শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা যেন তারা সন্তুষ্টি এবং আনন্দের সঙ্গে স্কুলে যেতে পারে।
দেশে আড়াই লাখ ভিক্ষুক : সরকারি দলের এমপি দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ সংসদকে জানান, প্রাপ্ত তথ্য মতে—দেশে ভিক্ষুকের সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার।
