আমরা একদিকে নারীর ক্ষমতায়ন, নারী উন্নয়ন ও লৈঙ্গিক সমতার কথা বলে মুখে ফেনা তুলছি। অন্যদিকে বর্তমান চিত্র বলছে ভিন্ন কথা; বাড়ছে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যানুযায়ী ২০১৮ সালে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ৭৩২টি এবং ২০১৯ সালে এ পরিসংখ্যান বেড়ে দাঁড়ায় ১৪১৩-তে। অর্থাত্ এক বছরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে প্রায় দ্বিগুণ।
ধর্ষণের জন্য দায়ী মূলত বিকৃত মানসিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি। মানুষের যখন নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে, তখনি বিভিন্ন অন্যায়-অত্যাচার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির শিথিলতা, বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করা প্রভৃতি কারণও সমানভাবে দায়ী।
পরিশেষে, ধর্ষণকে রুখে দিতে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। আরো তত্পর হতে হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে নিশ্চিত করতে হবে ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। প্রমাণিত ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির বিধান করতে হবে।
মো. নজরুল ইসলাম নোবু, দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়
