স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোর তহবিলের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। এই বিধান রেখে গতকাল মঙ্গলবার সংসদে একটি বিল উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পরীক্ষা করে সাত কার্যদিবসের মধ্যে সংসদে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য বিলটি অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। উত্থাপিত বিলে ৬১টি সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) এমপি ফখরুল ইমাম। তবে তার বিরোধিতার প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়। বিলে উদ্বৃত্ত অর্থ বলতে বোঝানো হয়েছে, তফসিলভুক্ত কোনো সংস্থার বার্ষিক পরিচালনা ব্যয়, নিজস্ব অর্থায়নে সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বার্ষিক ব্যয় এবং বার্ষিক পরিচালন ব্যয়ের ২৫ শতাংশের অতিরিক্ত অর্থ। বিলের ৫ ধারার (খ) উপধারায় বলা হয়েছে, প্রতি বছর শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে ঐ অর্থবছরের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
আইনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বিলটিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত/আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ অন্যান্য স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী আয়-ব্যয় ও বছর শেষে তাদের হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। ব্যাংকে রক্ষিত হিসাব থেকে দেখা যায়, বর্ণিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা পড়ে আছে।
