ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় কয়েক জনকে আটকের কথা জানিয়েছে ইরান। গতকাল দেশটির বিচার বিভাগের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এ ঘটনার বিচারের জন্য বিশেষ আদালত গঠন করার কথা জানিয়েছেন। এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু চুক্তিতে ইরানকে ধরে রাখতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তিন দেশ। খবর আল-জাজিরার
বিচার বিভাগের মুখপাত্র গোলাম হোসেইন ইসমাইলি জানিয়েছেন, বড়ো ধরনের তদন্ত হবে এবং ইতিমধ্যে কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। এর বেশি কিছু বলেননি গোলাম হোসেইন ইসমাইলি। গতকাল টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, গুলি করে বিমান ভূপাতিত করার ঘটনার বিচারে একটি বিশেষ আদালত গঠন করা হবে। সিনিয়র বিচারক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আদালত গঠন করা হবে জানিয়ে রুহানি বলেন, এটা অমার্জনীয় অপরাধ। কারণ এটা সাধারণ কোনো মামলা নয়। সারা বিশ্ব এই বিচার প্রত্যক্ষ করবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের জনগণের জন্য এ ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ।’ রুহানি এমন সময়ে এই ঘোষণা দিলেন, যখন সেখানে সরকারবিরোধী বড়ো ধরনের বিক্ষোভ চলছে।
ইরান কানাডা, ইউক্রেন, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। সোমবার কানাডার পরিবহনমন্ত্রী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং তাদের বিশেষজ্ঞ তেহরানের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন বলেও জানান ঐ মন্ত্রী। ইরানকে ২০১৫ সালের আন্তর্জাতিক পরমাণু চুক্তিতে রাখতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তিন শক্তিশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি। তিন দেশই বলছে, তারা ইরানের যুক্তি মানছে না। ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে যুক্তরাষ্ট্র হত্যা করার পর তেহরান পরমাণু চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র গত বছরই পরমাণু চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে।
