অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাত্ ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পাওয়ার গ্রিডের সাবেক পরিচালক, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবির ইমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার সকালে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক মো. নূরুল হুদার নেতৃত্বে একটি টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এর আগে, গত ৬ জানুয়ারি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে তার কাছে তলবি নোটিশ পাঠানো হয়। পাশাপাশি একই নোটিশ পাঠানো হয় সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে।
অভিযোগের ব্যাপারে দুদক সূত্র জানায়, এনামুল কবির ইমন এর বিরুদ্ধে সরকারি দলের পদবি ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া, সুনামগঞ্জ শহরে বিলাসবহুল বাড়ি, ধানমন্ডিতে ফ্ল্যাট, ব্যাংকে এফ ডি আরসহ নামে বেনামে ৯০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জন, পাওয়ার গ্রিডের পরিচালক হিসেবে বিভিন্ন প্রকল্প হতে কমিশন বাণিজ্য এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করার অভিযোগ রয়েছে।
গতকাল দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুদক কার্যালয় থেকে বের হবার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনামুল কবির ইমন। তিনি বলেন আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক অর্জনের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য একটি মহল দুদকে আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করেছে। আমার বাবা সুনামগঞ্জের এমপি ছিলেন। তার সুনাম আছে। তার ছেলে হিসেবে আমিও সততার সঙ্গে রাজনীতি করছি। বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির সংশ্লিষ্ট আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা একজন সাংবাদিকের সহায়তা নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে। আমি জানি দুদকের অনুসন্ধানে সত্য বেরিয়ে আসবে।
