সুবিধাবঞ্চিতদের উন্নয়নে কাজ করেছেন স্যার আবেদ

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২০, ২২:০৩

দেশের এবং দেশের বাইরের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্যার ফজলে হাসান আবেদ কাজ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান। তিনি বলেন, আবেদ খুব ছোটোবেলা থেকে সংবেদনশীল ছিলেন। তিনি সবসময় ভালো কিছু করার চেষ্টা করতেন। দিন শেষে তিনি যা চাইতেন তা কোনো না কোনোভাবে আদায় করে নিতেন। এটাই ছিল তার চারিত্রিক দৃঢ়তা। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। ‘শিক্ষায় স্যার আবেদ, তার জ্ঞান, চিন্তা ও কীর্তি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, স্যার ফজলে হোসেন আবেদ ছোটো আকারেই সব কাজ শুরু করতেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি যেসব উন্নয়ন কাজ করেছেন তা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য তিনি যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তারাও দীর্ঘদিন ধরে তাকে মনে রাখবে।

প্যানেল আলোচনায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহউদ্দীন আহমেদ বলেন, স্যার ফজলে হোসেন আবেদ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সব সময় চিন্তা করতেন। তিনি মানুষের কাছ থেকে কথা শুনতেন, খুব গভীরভাবে শুনতেন। এমনভাবে কথা শুনতেন, বক্তার মনে করতে হতো তিনি বিশেষ ব্যক্তি। তিনি বলেন, স্যার আবেদ শিক্ষার প্রতি সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দিতেন। মেয়েদের শিক্ষার প্রতি তার গুরুত্বের হার ছিল আরো বেশি। ব্র্যাকের স্কুলগুলোতে ৭০ শতাংশ নারী শিক্ষার্থী। তার চিন্তায় সর্বদা ছিল গ্রামের মানুষ ও প্রতিষ্ঠান।

ব্র্যাকের গভর্নিং বড়ির চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, মানুষকে কেন্দ্রে রেখে, তার চিন্তাকে সামনে রেখে কীভাবে এগিয়ে যাওয়া যায় সে বিষয়ে চিন্তা করতেন স্যার ফজলে হোসেন আবেদ।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. মনজুর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) অর্জন করার ক্ষেত্রে ব্র্যাকের অন্যতম অবদান ছিল। ব্র্যাকের অনানুষ্ঠানিক প্রাইমারি শিক্ষা এ উদ্দেশ্যের গুণগত ও সংখ্যাগত মান বাড়িয়ে দিয়েছিল। আরো বক্তব্য রাখেন গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী।