রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে বাবার সহায়তায় ১৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটিকে প্রায় এক বছর ধরে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে ধর্ষক।
কামরাঙ্গীরচর থানার এসআই শেখ মোরশেদ আলী জানান, আবুল হোসেনকে আজ শুক্রবার আদালতে হাজির করা হবে। এ মামলায় গ্রেফতার শিশুটির বাবাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মুরগি ব্যবসায়ী আবুল হোসেনের অধীনে কাজ করতেন শিশুটির বাবা। ঐ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে তিনি ৬ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। টাকা শোধ করতে না পেরে আবুলের কুপ্রস্তাবে রাজি হন বাবা। মেয়েকে তুলে দেন ধর্ষকের হাতে। প্রতিবেশী এক নারী ঘটনাটি জানতে পেরে পুলিশের কাছে ফোন করে জানায়। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার থানায় মামলা হয়।
পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, মেয়েটির বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ হয়েছে। তার মা এখন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে থাকেন। মেয়েটি ও তার ভাই বাবার সঙ্গে থাকত। তাদের বাবা ঐ ব্যবসায়ীর আবুলের অধীনে কাজ করার পাশাপাশি রিকশাভ্যান চালাতেন। আবুল জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, মেয়েটির বাবার সহায়তায় তিনি এক বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন। কামরাঙ্গীরচর এলাকায় মেয়েটির বাসাতেই এ ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের কথা কাউকে না বলতে মেয়েটিকে হুমকি দেওয়া হয়। অনেক সময় তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়েও ধর্ষণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। সুস্থ হয়ে উঠলে তাকে আদালতে হাজির করে জবানবন্দি নেওয়া হবে।
