টিকে আছেন চার জন
স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর
দিনাজপুর থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঝিনুক থেকে চুন তৈরির প্রথা। চুন তৈরির সরঞ্জামের দাম বৃদ্ধি পাওয়া আগ্রহ হারাচ্ছেন চুন কারিগররা। বর্তমানে প্রাচীন এ প্রথাটি টিকে আছে দিনাজপুরের চার কারিগরের হাত ধরে। চুন শুধু পান খেতেই নয়, যারা আলাপাতা (তামাকপাতা) খান তারাও চুন ব্যবহার করে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে অনেক মাছচাষিই পুকুরে চুনের ব্যবহার করছেন। সেই চুন তৈরি করে জেলার গ্রামাঞ্চলে হাতেগোনা কিছুসংখ্যক চুন ব্যবসায়ী। জানা যায়, জেলার চুলা বা কুনেতে আগুন দিয়ে ঝিনুক পুড়ে সেটিকে বেছে বের করে নিতে হয়। এরপর চাড়িতে ফেলে ঝিনুকের সঙ্গে পানি মিশিয়ে ঘাটতে হয়। পুরোপুরি চুন হতে তিন/চার ঘণ্টা সময় লাগে। নবাবগঞ্জের দাউদপুর ইউনিয়নের মনিরামপুর গ্রামের চুন কারিগর প্রদীপ মালী জানান, চুন তৈরির সময় চুনের কালচে রং দূর করতে এসিড ব্যবহার করা হয়। আগে ঝিনুক ও খড়ি পাওয়া যেত সুলভে। আর এখন এসব চড়াদামে কিনতে হয়। বর্তমানে মাত্র তিন/চার জন এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছেন। কাঁচা মালামাল কেনার পর চুন তৈরি করে তা গ্রামে গ্রামে, হাটবাজারে কাঁধে ভার বহন করে বিক্রি করে শেষে তেমন লাভ থাকে না।
