ছুটির দিনে প্রাণের জোয়ার খুশি বিক্রেতারা

আপডেট : ১৭ জানুয়ারি ২০২০, ২২:১৩

মো. আবু হানিফ, শেকৃবি সংবাদদাতা

গতকাল সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্রেতা দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল বাণিজ্য মেলা। বিক্রেতাদের মুখেও ছিল খুশির ঝিলিক। সকাল ১০টায় মেলার গেট খোলার পর প্রথম এক ঘণ্টা ক্রেতা-দর্শনার্থীদের তেমন উপস্থিতি ছিল না। দুপুর ১২টার পর মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। জুমার নামাজের পর ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আনাগোনা ছিল চোখে পড়ার মতো। বিকাল ৪টার দিকে প্রাণের জোয়ারে ভরে উঠে মেলা প্রাঙ্গণ। এ সময় মেলার আশপাশের রাস্তাগুলোও ছিল লোকে লোকারণ্য।

গতকাল মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, মূল গেট দিয়ে প্রবেশ করে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের (ডিজিটাল টাচ স্ক্রিন প্রযুক্তি) মাধ্যমে ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা সহজেই নির্দিষ্ট স্টল ও প্যাভিলিয়ন খুঁজে নিচ্ছেন। ছুটির দিন হওয়ায় পরিবারসহ এসেছেন অনেকেই। অনেকে ছুটছেন বিভিন্ন অফারের খোঁজে। নিত্যপ্রয়োজনীয় গৃহস্থালি পণ্য, হস্তশিল্প, পাটজাত পণ্য, ফার্নিচার, ইলেকট্রনিকস পণ্য এবং ফাস্ট ফুডের স্টলগুলোতে বেশি ভিড় করেন ক্রেতা-দর্শনার্থীরা। বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টলেও বেশ ভিড় ছিল। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল অবলম্বন করছেন বিক্রেতারা। মিষ্টি কথার পাশাপাশি কেউ দিচ্ছেন মূল্যছাড়সহ নানা অফার ও গ্যারান্টিসহ বিক্রয় পরবর্তী নানা সেবার নিশ্চয়তা। দুই প্রান্তের দুটি শিশুপার্কে শিশুদের উল্লাসে প্রাণবন্ত ছিল মেলা।

একাধিক স্টলের বিক্রেতারা জানান, মেলার প্রথম কয়েকদিন ক্রেতা-দর্শনার্থীদের সংখ্যা বেশ কম ছিল। ছুটির দিনে সবসময়ই লোক সমাগম বেশি হয়। প্রতিটি সাপ্তাহিক ছুটির আশায় থাকি আমরা। মেলা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন পণ্যে রয়েছে বিশেষ ছাড়। গ্রাহকরা আসছেন, বিভিন্ন পণ্য দেখছেন এবং অনেকেই তাদের পছন্দমতো পণ্য কিনছেন। বিক্রি বেশ ভালো হচ্ছে।

মিরপুর ১২ থেকে মেলায় আসা কানিজ ফাতেমা বলেন, ‘দিনভর ঘোরার জন্য পরিবারসহ মেলায় এসেছি। চাকরি করি তাই শুক্রবার ছাড়া সময় পাই না। বাচ্চারা অনেক খুশি মেলায় এসে। কিছু গৃহস্থালি পণ্য কিনেছি। বাচ্চাদের পছন্দের ড্রেস ও খেলনা কিনেছি। সবগুলোর সঙ্গেই অফার পেয়েছি। সবমিলিয়ে এবছর প্রথমবার মেলায় এসে উত্সবমুখর সময় কাটছে।’