৩০ জানুয়ারি সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইছেন প্রার্থীরা। অনেকে সারা দিন ধরে পুরো এলাকায় করছেন মাইকিং, পোস্টারিং ও লিফলেট বিতরণ। অন্যদিকে অনেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিপক্ষ প্রার্থীর ওপর হামলার মতো ঘটনাও ঘটছে অনেক জায়গায়। এছাড়া পোস্টার ছেঁড়া, মাইকিংয়ে বাধাদানসহ বিভিন্ন অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপির প্রার্থীদের পোস্টার ও ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বিভিন্ন জায়গায়।
গতকাল শুক্রবার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মামুন রশিদ শুভ্র শন্তিবাগ মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষ করে লাটিম প্রতীকের প্রচারণা শুরু করেন। তিনি এ সময় নির্বাচনে তাকে ভোট দিলে এলাকায় নাগরিকসেবা নিশ্চিত করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনিসুর রহমান নাঈম তার ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন না পেয়েও জনগণের জন্য নির্বাচন করছেন বলে জানান। তিনি নির্বাচনে জয়লাভ করলে নতুন ওয়ার্ডটিতে নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। এছাড়া উত্তর সিটির ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোতালেব হোসেন রতন তার নির্বাচনি এলাকায় দিনব্যাপী গণসংযোগ করেন। অন্যদিকে গত বুধবার উত্তর সিটির ১ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সেগুনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রার্থীসহ আট জন আহত হন।
জানা যায়, গত বুধবার বিকালে আবদুল্লাহপুর খন্দকার সিএনজি পাম্প থেকে প্রচারণা শুরু করে বেড়িবাঁধের ঢাল দিয়ে উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের শেষ মাথার দিকে যাচ্ছিলেন প্রার্থীসহ অন্যরা। পরে পাশেই ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আফসার উদ্দিন খানের নির্বাচনী অফিস থেকে ৫০-৬০ জনের একটি দল লাঠি, রড ও হকিস্টিক দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে। এ সময় প্রার্থীও আহত হন।
অন্যদিকে উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন কেন্দ্রীয় তাঁতী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক জাইদুল ইসলাম মোল্লা, যিনি নির্বাচনে ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এলাকায় প্রচার-প্রচারণায় তাকে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
