বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উত্সব

ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য ‘কিশোরগঞ্জের পালা গান’

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ০০:৩৩

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শনিবারের পরিবেশনায় ছিল অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের পরিবেশনা। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি উচ্চাঙ্গ সংগীত শিল্পীদের পরিবেশনায় সমবেত উচ্চাঙ্গ সংগীত, একক আবৃত্তি পরিবেশন করে শিল্পী এস এম মহসিন, সমবেত সংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সংস্থা, গোলাম সারোয়ার এবং মীর বরকতের পরিচালনায় বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে কণ্ঠশীলন এবং অন্তর দেওয়ানের পরিচালনায় সমবেত নৃত্য পরিবেশিত হয়। একাডেমি প্রাঙ্গণে রাত ৮টায় দর্শনীর বিনিময়ে মঞ্চস্থ হয় কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ‘পালা গান’।

সিলেট জেলার পরিবেশনায় ছিল পার্থ প্রতিম দাসের নৃত্য পরিচালনায় ‘আবার আসিব ফিরে’ নৃত্যালেখ্য পরিবেশন করে শিল্পী মিথিলা চৌধুরী শৈলী, জ্যোতি সোম নূপুর, উপাসনা চৌধুরী মেধা, প্রিয়া চন্দ, সুপ্রিয়া সরকার, জাওয়াতা আফনান রোজা, অনন্যা মনির লামিয়া, সারাফ ওয়ামিয়া রহমান, নিঝুম রায় সুইটি এবং ডেইজি ঘোষ। পূর্ণিমা দত্ত রায় এবং প্রতীক এন্দ-এর পরিচালনায় শাহ আব্দুল করিমের গান ‘কোন মেস্তরি নাও বানাইল এবং রাধারমণ দত্তের গান ‘জলে যাইওনা গো’ দুটি সমবেত সংগীত পরিবেশন করে শিল্পী বিপ্লব দেবনাথ, সজীব কান্তি দাস, সিমন সায়ন চৌধুরী, সুমাইয়া ইসলাম শোভা, তাসনোভা জহির মেঘলা, তন্নী রায়, শ্রাবন্তী ধর, অনুপমা বণিক, প্রীতম সূত্রধর এবং অয়ন পাল অপু। যন্ত্রে আঞ্চলিক লোকগানের সুর তোলেন শিল্পী প্রতীক এন্দ, নৃপেন্দ্র দেব লনু, কৃতি সুন্দর দাস এবং প্রণয় দাস। একক সংগীত পরিবেশন করে জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী আকরামুল ইসলাম এবং উপজেলা পর্যায়ের শিল্পী পংকজ দেব।

বরিশাল জেলার পরিবেশনায় ছিল বরিশালের আঞ্চলিক গান ‘বরিশালে আইয়ো বন্ধু আইয়ো মোগো বাড়ি’ দুটি সমবেত সংগীত পরিবেশন করে শিল্পী মৈত্রী ঘরাই, রিমি সাব্বির, রফিকুল ইসলাম, কাজী মামুন, জহুরুল হাসান, তরিকুল ইসলাম, কমল ঘোষ, রিয়া বর্মণ, সুপ্রভা সরদার, দেবপ্রিয় কুন্ড এবং নিক্বন বিশ্বাস। এস আই শফিকের নৃত্য পরিচালনায় ‘ধান নদী খাল, এই তিন মিলে বরিশাল এবং পলাশী থেকে অগ্রযাত্রা’ দুটি সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পী শফিক সুজন,  গোপাল, অনামিকা, অনন্যা, তুলি, রূপকথা, ফারজানা, ঐশী ও ফারাবি। একক সংগীত পরিবেশন করে জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী জহুরুল হাসান সোহেল এবং উপজেলা পর্যায়ের শিল্পী মৈত্রী ঘরাই। যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করে শিল্পী নিক্বন চৌধুরী।

নাটোর জেলার পরিবেশনার শুরুতে ছিল সমবেত সংগীত। পরিবেশন করে শিল্পী মাসমিয়া রহমান উপমা, পদ্ম ইয়াসমিন, রুকাইয়া জাহান, অন্বেষা কর্মকার, পিয়ালী ধর, সজল রায়, ইশতিয়াক মাহমুদ, রনী দে, সাদমান সাকিব এবং শাহরিয়ার হোসেন সীমান্ত। ‘পুবের আকাশে সূর্যের হাসি এবং মানব না বন্ধনে, মানব না শৃঙ্খলে’ দুটি সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে শিল্পী সৌরভ, মাহফুজ, শান্ত, ইন্না, বৃষ্টি, পপি, নিতু, পূজা, তোওফা ও মৌ। একক সংগীত পরিবেশন করে জাতীয় পর্যায়ের শিল্পী মো. ফরিদুল ইসলাম এবং উপজেলা পর্যায়ের শিল্পী মো. আব্দুল আওয়াল। যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করে শিল্পী মো. আব্দুল আওয়াল, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর আলম মিলন এবং বাবুল দাস।