ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ দাবি করেছেন, গত ছয় বছরে ২ হাজার ৮৩৮ জন পাকিস্তানি ও ১৭২ জন বাংলাদেশি ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এরা সবাই শরণার্থী হিসেবে ভারতে গিয়েছিলেন। গতকাল রবিবার ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এসব শরণার্থীর মধ্যে মুসলিমরাও ছিল উল্লেখ করে নির্মলা সীতারমণ বলেন, পাকিস্তান, বাংলাদেশের পাশাপাশি আফগানিস্তানের ৯১৪ জন শরণার্থী ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এছাড়া ১৯৬৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আনুমানিক ৪ লাখের মতো শ্রীলঙ্কান তামিল ভারতের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। ভারতে অনুপ্রবেশকারী শনাক্ত করতে এনআরসি তৈরি ও ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দিতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশের পর ভারত জুড়ে তীব্র বিক্ষোভ চলছে। সিএএ-এর পক্ষ নিয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় অসংখ্য মানুষ পূর্ব পাকিস্তান থেকে গিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পে আবাস গড়ে তুলেছিল। ৫০ থেকে ৬০ বছর হয়ে যাচ্ছে কিন্তু তারা এখনো ভারতেই অবস্থান করছে। কেউ ঐসব ক্যাম্পে গেলে বুঝবে কীরকম মানবেতর জীবন-যাপন করছেন তারা। একই অবস্থা শ্রীলঙ্কান শরণার্থীদেরও। ক্যাম্পগুলোতে তারা মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সেখানকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্যই মোদি সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে। অথচ কিছু মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে জনগণকে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করছে।
