ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তিন খুদে বিজ্ঞানী কৃষি কাজে সহায়ক একটি রোবট উদ্ভাবন করেছে। এই রোবট ব্যবহারে চাষাবাদে খরচ কম হবে। জমিতে সেচ ও কীটনাশক ছিটানো যাবে। রোবট তৈরিতে দলনেতা ছিলেন ছাত্র বক্তিয়ার আহম্মেদ বাপ্পী, সদস্য দেবাশিষ কুমার বিশ্বাস ও মামুন অর রশিদ। এই টিমের ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন ইনস্টিটিউটের টেক ইলেক্ট্রনিক্স শাখার জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর মো. আব্দুস সালাম।
টিম ম্যানেজার মো. আব্দুস সালাম জানান, তিন জন শিক্ষার্থীর টিম তিন মাস চেষ্টা করে রোবটটি উদ্ভাবন করেছে। ছোটো আকারের রোবটটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে হাজার দশেক টাকা। আলু, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, মুলা, হলুদ, তামাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও ভুট্টা সারিবদ্ধভাবে চাষ করা হয়। এখন ধান গমও সারিবদ্ধভাবে চাষাবাদ হয়ে আসছে। তাদের এই রোবট মূলত সারিবদ্ধ চাষাবাদের জমিতে কীটনাশক স্প্রে, সার প্রয়োগ ও আগাছা পরিষ্কার করতে পারবে। রোবট ব্যবহারে চাষিদের কীটনাশক প্রয়োগের সময় স্বাস্থ্য সমস্যা থাকবে না। এছাড়া রোবট বলে দেবে কখন জমিতে সেচ দেওয়া প্রয়োজন। নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি সেচ দেবে রোবট। রোবটটি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে আটোমেটিকভাবে চার্জ হবে। স্মার্ট ফোনের সাহায্যে কন্ট্রোলের মাধ্যমে রোবট কাজ করবে।
তিনি আরো বলেন, বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার উপযোগী এই রোবট তৈরিতে ২ লাখ টাকা ব্যয় হবে। রোবট উদ্ভাবনের টিম লিডার বক্তিয়ার আহম্মেদ বাপ্পী জানান, পলিটেকনিকের ক্যাম্পাসে তাদের রোবটের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখানো হয়েছে।
