সান্তাহার হাসপাতালটি চালু করুন

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২০, ২২:১৫

বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলাধীন সান্তাহার পৌরশহরে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ২০ শয্যার একটি হাসপাতাল র্নিমাণের ১৪ বছর পরও চালু করা সম্ভব হয়নি। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সহাপনাটি পরিত্যক্ত পড়ে রয়েছে। হাসপাতালের বিভিন্ন জিনিস চুরি ও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্টাফ কোয়ার্টার ও হাসপাতাল ভবন চত্বর  আর্বজনার স্তূপ ও আগাছায় ছেয়ে গেছে। বর্তমানে এ জায়গা শহরের অসামাজিক কাজের নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। জানা যায়, ২০০৪ সালে ২০ শয্যার এই হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০০৬ সালে তত্কালীন সরকারের শেষ সময়ে হাসপাতালের শতভাগ র্নিমাণকাজ শেষ না হতেই স্থানীয় এমপি কাজ বন্ধ করে দেন। এবং তড়িঘড়ি করে ঐ বছরের ২২ অক্টোবর হাসপাতালটি উদ্বোধন করেন। এজন্য হাসপাতালে চিকিত্সক ও অন্যান্য স্টাফের পোস্টিং এবং প্রায় সকল সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়। কিন্তু হাসপাতাল অসম্পন্ন দেখে এখানে পোস্টিং পাওয়া চিকিত্সক ও অন্যান্য স্টাফ অন্যত্র বদলি নিয়ে চলে যান। তখন এ হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ চিকিত্সাসামগ্রী ও যন্ত্রপাতি আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে­ক্সে এবং বগুড়া মুহাম্মদ আলী হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর থেকে হাসপাতালটি অরক্ষিতই পড়ে থাকে। আর মাদকসেবীদের আখড়া হয়ে ওঠে। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের আবেদনে ২০১২ সালে হাসপাতালের বাকি কাজ শেষ হয়। কিন্তু রহস্যজনকভাবে হাসপাতালটি আর চালু হয়নি। তালাবদ্ধই রয়েছে। সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌর এলাকা মিলে একটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। এতে বিপুল সংখ্যক মানুষের কাঙ্ক্ষিত সরকারি চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত হয় না। ২০ শয্যার হাসপাতালটি চালু হলে তিন লক্ষাধিক মানুষের তা উপকারে আসবে। এ ব্যাপারে সংশি­ষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।

সাকলাইন লেনিন, আদমদীঘি, বগুড়া