প্রত্যেক মানুষকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তবে স্বাভাবিক মৃত্যু প্রত্যাশা থাকে সকলের। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে স্বাভাবিক মৃত্যুর কোনো গ্যারান্টি নাই, চারিদিকে মৃত্যুফাঁদ পেতে আছে! সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, রাস্তা পারাপারে মৃত্যু, প্রতিবাদ করলে মৃত্যু, গুজবের জেরে মৃত্যু, স্বার্থের দ্বন্দ্বে মৃত্যু, ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু, ভবন ধসে মৃত্যু, সেফটি ট্যাংক বিস্ফোরণ, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণসহ এমন কোনো দুর্ঘটনা নেই, যা বাংলাদেশে ঘটছে না। চালকের খামখেয়ালিপনা ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের বলি হচ্ছেন যাত্রীরা। দুর্ঘটনাকে আর শুধুমাত্র দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতার অভাব এবং বিশেষ করে চালকদের অসাবধানতাসহ খামখেয়ালিপনার বলি হচ্ছে মানুষ।
মানুষের অবহেলা, অসাবধানতা এবং লোভের ফলে যেভাবে মৃত্যুফাঁদ বাড়ছে, তা রোধে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। অর্থ সম্পদের চেয়েও মানুষের জীবনের মূল্য বেশি—সে সত্যকে ধারণ করে নিজ নিজ জায়গা থেকে ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যেসব মাধ্যমে দুর্ঘটনা ঘটছে, সেসব মাধ্যমের দায়িত্ববান ব্যক্তিদের গ্রহণ করতে হবে কার্যকর পদক্ষেপ।
জুবায়ের আহমেদ
শিক্ষার্থী, ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম,
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব জার্নালিম অ্যান্ড ইলেকট্রনিক মিডিয়া (বিজেম), ঢাকা
