পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশ যখন টি-টোয়েন্টি সিরিজে মাঠে নামবে, তখন নিশ্চিতভাবেই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল দুশ্চিন্তায় থাকবে হারিস রউফকে নিয়ে। এই পেসারের যদিও, এখনো আন্তর্জাতিক অভিষেকই হয়নি, তবুও তিনিই অন্যতম ভীতির কারণ।
হারিস বোলিং করেন ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার গতিতে। আর এরই মধ্যে ২৬ বছর বয়সি এই বোলার বাজিমাত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশে। মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে তিনি সাত ম্যাচে চলতি মৌসুমে নিয়েছেন ১৬ উইকেট। এর মধ্যে আছে একটি হ্যাটট্রিক ও এক ম্যাচে পাঁচ উইকেট।
দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক অভিষেকের দুয়ারে দাঁড়িয়ে তিনি চাপের কথা অস্বীকার করলেন, বরং জানালেন রোমাঞ্চের কথা। লাহোরে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই চাপে নেই। আমি জানি মানুষ আমাকে নিয়ে রোমাঞ্চিত। ফলে, তাদের অনেক প্রত্যাশা। সত্যি কথা বলতে, মানুষ আমাকে নিয়ে যা বলছে সেটাকে আমি সম্মান দিচ্ছি। আর এই আলোচনাটাই আমাকে আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে।’
দেশের মাটিতে খেলা বলেই আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী রউফ। বললেন, ‘এটা হোম সিরিজ। দেশের মাটিতে অভিষেকের সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। সিরিজ জয়ের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টাই করব আমি। আমার লক্ষ্য সিরিজের সেরা বোলার হওয়া।’
পাকিস্তান দলের পেস বোলিং কোচ এখন ওয়াকার ইউনুস। ফলে, ওয়াকারের লম্বা অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান রউফ। বললেন, ‘ওয়াকার ভাই খুবই অভিজ্ঞ মানুষ। তার নিজের সময়ের অন্যতম সেরা। তিনি আমাদের জন্য তরুণ পেসারদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। বিশেষ করে তিনি যেভাবে ডেথ ওভারে বোলিং করতেন, বা রিভার্স ইয়র্কার করতেন, সেটা তার মতো ভালো কেউ করতে পারতেন না। আমিও তার মতো নিখুঁতভাবে কাজটা করতে চাই। আশা করি, তার কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখতে পারব।’
গতির ঝড় তুলতে মরিয়া রউফ। বললেন, ‘অনুশীলনে আমি যাই করি না কেন, আমি নিজের পেসটা সব সময় ধরে রাখতে চাই। বিগ ব্যাশে আমি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটাও ছুঁয়েছি। তবে, সেটা আমি মনে রাখতে চাই না। আমি নিয়মিত ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে বল করতে চাই।’
