যেহেতু এই রোগটি চীনে দেখা দিয়েছে, আর চীনের সঙ্গে আমাদের বিভিন্নভাবে যোগাযোগ রয়েছে, সেহেতু এই রোগটি বাংলাদেশেও প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে। যারা চীন থেকে আসবে তাদের স্ক্যানিং করার ব্যবস্থা করেছি। চীন থেকে যারা ফিরছেন আমরা তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব না পেলেও তাদের ১৪ দিনের পর্যবেক্ষণে রাখছি। এই রোগের চিকিত্সা ও প্রতিকারে আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) গাইডলাইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছি।
—অধ্যাপক, ডা. মীরজাদী সেবরিনা ফ্লোরা
পরিচালক, আইইডিসিআর’র
(সূত্র :দৈনিক ইত্তেফাক, ২২ জানুয়ারি ২০২০)
