কিছুদিন আগেও বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের যে প্রক্রিয়া ছিল, তাতে আর্থিক লেনদেনের সুযোগ থাকত। ফলে অনেক মেধাবী এ চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। সেখান থেকে একটা বিধিবদ্ধ নিয়মে আনা ও মেধাবীদের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)’।এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পনেরোটি পরীক্ষার মাধ্যমে কোনো রকম অর্থিক লেনদেন ও তদবির ছাড়াই চাকরি পেয়েছে কয়েক হাজার মেধাবী তরুণ। এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে আশার আলো দেখছে লক্ষ বেকার। কিন্তু এ আশার আলোর মধ্যেও রয়েছে হতাশার ছাপ। দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ বছর পড়ালেখা করে প্রথম শ্রেণির সিজিপিএ পাওয়া ছাত্রটিরও যখন নিজের পঠিত বিষয়ে ফেল আসে, তখনই প্রশ্ন ওঠে উত্তরপত্র মূল্যায়ন নিয়ে। আর সবচেয়ে বড়ো যে অস্বচ্ছতা, সেটা হলো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উলেখ থাকে না যে কোন বিষয়ে কতজন শিক্ষক নেওয়া হবে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা না থাকায় ধোঁয়াশার সৃষ্টি হচ্ছে। তাই আগামী সতেরোতম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শূন্যপদ উলেখের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মঞ্জুর রনি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
