মুক্তিযুদ্ধে জিয়া কোথাও যুদ্ধ করেননি

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২০, ০০:১৭

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধকালীন জেনারেল জিয়াউর রহমান কোথায় যুদ্ধ করেছেন তার সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, জিয়াউর রহমান কোথাও যুদ্ধ করেননি শুধু খুনি মোশতাকের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত ছিল। আলোচনায় বলা হয়, দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে শুধু রাজনীতিবিদদের ধরা হচ্ছে, জড়িত পুলিশ-আমলা-প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ধরা হচ্ছে না। শুধু রাজনীতিবিদরা জেলে যাবে, প্রশাসনের জড়িতরা জেলে যাবে না—এটা হতে পারে না। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এ দাবি জানান। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, ফরিদুল হক খান, মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন, মোসলেম উদ্দিন, এ কে এম ফজলুল হক ও জাতীয় পার্টির  (এ) প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু।

মুহাম্মদ শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে সম্প্রতি মিজানুর রহমান আজহারী ও তারেক মনোয়ার নামক দুজন ব্যক্তির যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর পক্ষ নিয়ে ওয়াজ মাহফিলে দেওয়া হুমকির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সরকারি দলের অপর সংসদ সদস্য মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন বলেন, বিএনপিতে দুটি ধারা। এক রাজনৈতিক, অপরটি হচ্ছে বাণিজ্যিক। বাণিজ্যিক ধারার নেতৃত্ব দেন এতিমের টাকা আত্মসাত্ করে কারাগারে সাজাভোগ করা খালেদা জিয়া ও দুর্নীতি করে লন্ডনে পলাতক তারেক রহমানরা। আর রাজনৈতিক ধারায় রয়েছে বিভিন্ন দল থেকে আসা দলছুট নেতারা।

জাতীয় পার্টির (এ) প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়ে যাচ্ছে। দেখার কেউ নেই, সরকার কেন তা বন্ধ করতে পারছে না। 

দেশে ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিরোধীদলের এই নেতা বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে এত লোক মারা যাচ্ছে, ধর্ষকরা কেন মারা যায় না? তিনি আরো বলেন, ধর্ষণের বিচারে যে আইন রয়েছে তা যথেষ্ট নয়। এ আইনের সংশোধন এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষণ যদি বন্ধ করতে না পারি, তবে তা মহামারি আকার ধারণ করবে।