বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুতের খুঁটিতে বিভিন্ন সংস্থার ঝুলন্ত তার নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত্ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করছে। প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প-২০৪১ অনুসারে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হবে। শহরগুলো উন্নত দেশের মতোই হতে হবে। তাই দ্রুত ঝুলন্ত তার ভূগর্ভস্থ করা প্রয়োজন। আগামী মে মাসের পর রাজধানীর পাঁচটি এলাকায় ঝুলন্ত তার থাকবে না। পর্যায়ক্রমে সব এলাকার ঝুলন্ত তার অপসারণ করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিদ্যুত্ ভবনে ঢাকা মহানগরীর রাস্তার পাশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঝুলন্ত তার ও বিতরণ লাইনকে ভূগর্ভস্থ করার বিষয়ে সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মহাখালীর ডিওএইচএস, গুলশান সোসাইটি, নিকেতন সোসাইটি, মতিঝিল, বনানী এবং কাওরানবাজার এই পাঁচ এলাকায় আগামী ৩০ মের মধ্যে ঝুলন্ত তার অপসারণ করতে হবে। বিতরণ সংস্থাগুলো এটি নিশ্চিত করবে। আগামী এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটি নতুন পাঁচটি জোন নির্ধারণ করবে।
সভায় বিদ্যুত্ বিভাগের আওতাধীনে যেসব এলাকায় আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল বসানোর কাজ হাতে নেওয়া হবে সেখানে অন্যান্য ওভারহেড ক্যাবল অপারেটর সংস্থা বা সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তাদের ক্যাবলও একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বিদ্যুত্ বিভাগের সচিব ড. সুলতান আহমেদ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আবুল মনসুরসহ, বিতরণ সংস্থাগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, স্থাপত্য অধিদপ্তর, ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ), নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, আইএসপিএবি, সামিট কমিউনিকেশন, ফাইবার এট হোম, সাইবার ক্যাবল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমিউনিকেশনের (ডিওটি) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
