ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক-২০২০-এর স্লোগান হচ্ছে ‘রানওয়ে অব লাইফ’। অর্থাত্ ফ্যাশন শুধু নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই নয়, দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই ফ্যাশনের অংশ। ফ্যাশন উত্সবের দ্বিতীয় দিন গতকাল শুক্রবার ছিল দেশ-বিদেশের শীর্ষ ডিজাইনারদের উপস্থাপনা। দেশি ডিজাইনারদের তালিকায় ছিলেন—মাহিন খান, শৈবাল সাহা, ফারাহ আনজুম বারী, এমদাদ হক, মারিয়া সুলতানা মুমু, রুপো শামস ও শাহরুখ আমীন। আর বিদেশিরা হলেন—ভারতের অন্তর-অগ্নি ও সৌমিত্র মণ্ডল আর শ্রীলঙ্কার সোনালি ধার্মা ওয়ার্দেনা।
বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন হলের এই আয়োজনে গতকাল ট্রেসেমে কিউর বিউটি এক্সপার্ট ছিলেন ফারজানা শাকিল। তিনি ফুটিয়ে তোলেন পার্টি লুক। পার্টি বা অনুষ্ঠানের রয়েছে নানা মাত্রা, নানা রং। এর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সাজকে নানামাত্রিক করে তোলার অবকাশ থেকেই যায়। সেই প্রয়াস ছিল ফারজানা শাকিলের মেকওভারে।
শুরুতে শৈবাল সাহার ডিজাইনকৃত পোশাক পরে মডেলরা র্যাম্পে আসেন। দেশীয় ঐতিহ্যের অংশ শীতলপাটির নকশা তিনি পোশাকের ক্যানভাসে ফুটিয়ে তোলেন। পরে একে একে অন্য ডিজাইনারদের পোশাকে মডেলরা ক্যাটওয়াক করে আলো ছড়ান।
আজ সমাপনী দিনের লুক তৈরির দায়িত্ব ন্যস্ত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় রূপবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খানের ওপর। ট্রেসেমে কিউয়ের জন্য তিনি বিভিন্ন পেশাজীবীদের সাজাবেন অবকাশ যাপনের মুডে। কারণ এদিনের বিষয়—ভ্যাকেশন অর্থাত্ ছুটি। আর ছুটি কাটাতে যাওয়ার সময় এক ধরনের লুক থাকে। সকাল, দিন আর রাতে থাকে আলাদা আলাদা মেজাজ। সেই অনুযায়ীই লুক তৈরি করবেন তিনি।
আজ যেসব ডিজাইনাররা তাদের পোশাক উপস্থাপন করবেন, তারা হলেন—বাংলাদেশের চন্দনা দেওয়ান, কুহু, লিপি খন্দকার, সারাহ করিম, রিফাত রেজা রাকা, ফারাহ দিবা, সাইজা আহমেদ এবং ভারতের অলকা শার্মা, আসিফ শাইখ ও ভুটানের চান্দ্রিকা তামাং। প্রসঙ্গত, ট্রেসেমে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইকের শুরুটা ছিল গতবছর। সেই ধারাবাহিকতায় এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ফ্যাশন উইকের দ্বিতীয় আসর।
