পুলিশপুত্রকে দোলনা থেকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ 

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:৪৭

নোয়াখালীর সেনবাগ থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল সুমন সরকারের সাড়ে তিন মাস বয়সের শিশুপুত্র তুর্ষ্যকে পিতা-মাতার অজান্তে দোলনা থেকে তুলে নিয়ে পুকুরের পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যায় সেনবাগ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বিন্নাগুনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। সোমবার সকালে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় সেনবাগ থানায় অজ্ঞাতদের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার বা আটক করা হয়নি।

আরো পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী গাইলেন চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান

সেনবাগ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, পুলিশ কনস্টেবল সুমন সরকার সেনবাগ পৌর শহরের বিন্নাগুনি এলাকার বাবুল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। রবিবার সন্ধ্যায় তার স্ত্রী ছেলেকে দোলনায় রেখে বাসার ভেতরে বাথরুমে যায়। এর কিছুক্ষণ পর বাসার ভেতর থেকে এসে দেখে দোলনায় তার ছেলে নেই। এ সময় সে চিৎকার করে উঠে। পরে চারিদিকে খোঁজাখুঁজির পর লোকজন বাসার পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে তুর্ষ্য লাশ ভাসতে দেখে। এ সময় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সেনবাগ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। তবে কি কারণে মাত্র সাড়ে তিন মাস বয়সের এ শিশু পুত্রকে পুকুরের পানিতে ফেলে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে বলে ওসি জানান।

ইত্তেফাক/এএএম