নির্বাচিত হলে ঢাবিতে গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদের

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ২২:১৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান নির্বাচিত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় গণপরিবহন নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এছাড়াও দ্রুতগতিসম্পন্ন ইন্টারনেটের ব্যবস্থা, সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধ, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও বিশেষ সিকিউরিটি গেট স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন। আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইশতেহার ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি এসব কথা জানান।

এ সময় তিনি ১৯ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেন। তার প্রতিশ্রুতিগুলো হলো, 'ক্লিন-২১' অ্যাপসের মাধ্যমে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, শাহবাগ, পরিবাগ, বাংলামটরে সিকিউরিটি গেইট নির্মাণ করা, গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ত এলাকায় পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা, ল্যাম্প পোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা, তরুণদের উন্নয়নের জন্য যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে অভিভাবক ছাউনি নির্মাণ করা, বিনোদনের জন্য মিনি শিশু পার্ক স্থাপন করা, আইল্যান্ড ও ফুটপাতের সৌন্দর্য বর্ধন করা, মাদক নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা, বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে যানজট নিরসন করা, নিয়মিত মশক নিধন কর্মসূচি পালন করা, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সন্ত্রাস ও ছিনতাই প্রতিরোধ করা, বিনোদন, মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক বিকাশে সুযোগ বৃদ্ধি করা, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা, সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন করা, দ্রুতগতি সম্পন্ন ইন্টারনেটের ব্যবস্থা করা।

আরো পড়ুন: জবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের ত্রিমুখী লড়াই

ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়ে আসাদ বলেন, ‘আমি আগে থেকেই বিভিন্ন সমস্যায় এলাকার মানুষদের পাশে থেকেছি। আমি আশাবাদী আমার ইশতেহারের শতভাগ বাস্তবায়ন করতে পারব।’

ইশতেহার ঘোষণার সময়ে ব্যবহৃত ব্যানারে নিজের ও দলীয় প্রধান ছাড়া অন্য কারো ছবি ব্যবহারের নিয়ম নেই সিটি করপোরেশন আইনে। কিন্তু আসাদুজ্জামান আসাদ তার ব্যানারে মেয়র পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপসের ছবি ব্যবহার করেন। ছবি ব্যবহার করে নিয়ম লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা আমার ভুল। মূলত উনি এমন একজন প্রার্থী যার বাবা-মা ছোট বেলায় মারা গিয়েছিলেন। এজন্য আবেগের জায়গা থেকে এটা করেছি। এর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

ইত্তেফাক/এএএম