ঘাটাইলে ৩ স্কুলছাত্রী ধর্ষণ : আরেক আসামির জবানবন্দি

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২০, ০০:১২

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সংরক্ষিত বনের ভেতর তিনস্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় বুধবার রাসেল নামের আরও এক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

বুধবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা হাসনাতের আদালতে কাছে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। এ নিয়ে এ মামলায় গ্রেফতার ৪ আসামির  মধ্যে ৩ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করল। আসামিরা সকলেই জেলা হাজতে রয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে  রাসেলকে গত মঙ্গলবার রাতে আটক করে।

এর আগে তিনজনকে পুলিশ গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করলে এদের  মধ্যে দুইজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় । অন্যজনকে সিডাব্লিউ মূলে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক।

আরও পড়ুন : ফেনীর নুসরাত হত্যার পেপারবুক প্রস্তুত

এদের মধ্যে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কুমার কর্মকারের নিকট গ্রেফতার ইউসুফ এবং অপর বিচারক আরিফ হোসেন এর নিকট বাবুল হোসেন পৃথকভাবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এছাড়া একই দিন দুপুরে ধর্ষিতা তিন স্কুলছাত্রী ও তাদের অপর এক বান্ধবী টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নওরীন মাহবুব ও ফারজানা হাসনাত নির্যাতিতাদের পৃথকভাবে ২২ধারায়  জবানবন্দ রেকর্ড করেছেন।

সোমবার ২৭ জানুয়ারি ধর্ষিত তিনজনের মধ্যে এক ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ঘাটাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে এদের আটক করে আদালতে প্রেরণ করে।
 
এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ  ও  হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার রেহানা পারভীন নির্যাতিতাদের পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। তিনজনেরই ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সফিকুল ইসলাম জানান, থানায় মামলা হওয়ার পরেই আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে ।

উল্লেখ্য যে, গত রবিবার উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের সাতকুয়া এলাকায় বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে যায় ঘাটাইল এস ই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির চারছাত্রী। এদের মধ্যে  তিনছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়।

ইত্তেফাক/এমআরএম