চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক। বর্তমানে বেশ কয়েকটি সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও নতুন সিনেমার খবরের নেই তিনি। তবে শিগগিরই নতুন চমক নিয়ে আসছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া এই জনপ্রিয় নায়ক। সেই আলোচনার পাশাপাশি সিনেমার অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
কেমন আছেন?
এইতো বেশ ভালো।
নতুন বছরে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সিনেমার খবর নেই আপনার। তাহলে কী বিরতিতে আছেন?
বিরতিতে থাকার সুযোগ এখন আপাতত নেই। আসলে বেশ কয়েকটি সিনেমার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছি আমি। সেগুলো এক এক করে শেষ করছি। সেগুলোর আগে নতুন করে বাড়তি চাপ নিতে চাচ্ছি না। এরমধ্যে ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘নদীর বুকে চাঁদ’, ‘বাহাদুরি’ সিনেমাগুলোর কাজ শেষ হয়েছে। সেগুলোর ডাবিং নিয়ে ব্যস্ত আছি। অন্যদিকে ‘আমার মা আমার বেহেশত’ ও ‘গোপন সঙ্কেত’ সিনেমা দুটির কাজ প্রায় শেষ।
তাহলে নতুন সিনেমার খবর কী আপাতত পাওয়া যাচ্ছে না?
ঠিক এমনটাও নয়। নতুন কয়েকটি সিনেমা নিয়ে কথা চলছে। সিনেমাগুলো নিয়ে বিস্তারিত বলার মতো অবস্থায় এখনও আসেনি। সেগুলো চূড়ান্ত হলে হয়তো শিগগিরই নতুন সিনেমার খবর সবাইকে দিতে পারবো।
গতানুগতিক সিনেমার বাইরে এখন অনেক নায়ক বের হচ্ছেন। সময়ের সঙ্গে আপনার পরিবর্তন কতটুকু হয়েছে মনে করেন?
সময়ের সঙ্গে নিজেকে পাল্টাতে না পারলে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা সম্ভব না। দর্শক চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয় আমাদের। সেই চেষ্টাটা আছে বলেই হয়তো এখনও কাজ করতে পারছি। নতুন কিছু করার প্রচেষ্টা তো থাকেই। সামনে যে সিনেমাগুলো নতুন করে শুরু করবো সেগুলোতে অন্য আমাকে পাওয়া যাবে। ‘আনন্দ অশ্রু’ সিনেমাটিও দর্শকদের জন্য নতুন কিছু হবে। সুন্দর একটি সিনেমা হয়েছে এটি। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেখান থেকে চেষ্টা থাকে ভালো কিছু করার।
‘আনন্দ অশ্রু’ কবে নাগাদ মুক্তি পাবে?
পহেলা বৈশাখে মুক্তির পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেটি পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন হয়তো ঈদের পর মুক্তি পেতে পারে।
আরও পরুনঃ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস
ঈদে একঝাঁক তারকার সিনেমা মুক্তির চর্চাটা আমাদের নেই। এর কারণ কী শুধুই হলের অভাব?
অন্যতম কারণ হলের অভাব। আর ঈদে মুক্তির জন্য বড় বাজেটের সিনেমাও প্রয়োজন। দেশের হল সংখ্যার যে অবস্থা, সেখানে ২-৩টির বেশি সিনেমা মুক্তি পেলে লগ্নি উঠে আসা রিস্ক। আর প্রযোজকরা এখন রিস্ক নিয়ে সিনেমা মুক্তি দিতে চান না। তাই সবাই একটু কম ভিড়ে সিনেমা মুক্তি দিতে চায়।
প্রতিবছর আপনাদের সিনেমার শুটিং যে পরিমাণে থাকে, মুক্তির সময় সেই সংখ্যা অর্ধেকেরও কম হয়। এই চর্চার ব্যাখ্যা কী দেবেন?
এটিও হলের কারণে। হল সংখ্যা কমের কারণে একটি সিনেমা অনেকদিন হলে রাখতে হয়। সেটির পর নতুন সিনেমা মুক্তি পর্যন্ত যে সময়টা থাকে সেই বিবেচনায় বছরে ২-৩টির বেশি সিনেমা মুক্তি দেওয়াটা সম্ভব হয় না। কারণ দিনশেষে প্রযোজক তো লাভের মুখ দেখে ঘরে ফিরতে চায়।
