ক্রিজে সেট হয়েও সেঞ্চুরি পাওয়া হলো না নাজমুল হোসেন শান্তর। তার ব্যাটে ভর করে দারুণ ভাবে এগিয়ে যাচ্ছিলো বাংলাদেশ। শুরু থেকেই বড় ইনিংসের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলো বাংলাদেশ শিবির। কিন্তু চার্লটন টিসুমার বলে উইকেটের পেছনে রেগিস চাকাভার গ্লাভসবন্দি হয়ে ফিরলেন তিনি। ফেরার আগে ৭ চারে ৭১ রানের ইনিংস খেললেন তিনি। এটিই তার টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম ফিফটি।
নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হলেও বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখাচ্ছে মুমিনুল-মুশফিক জুটি। এরই মধ্যে ফিফটি পূরণ করেছেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। তাকে বেশ ভালো ভাবেই সঙ্গ দিচ্ছেন মুশফিকুর রহিম।
নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। সূচনালগ্নেই ফিরে আসেন সাইফ হাসান। তাকে সাজঘরে ফেরত পাঠান ভিক্টর নায়াউচি। পরে নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠেন তামিম ইকবাল। ধীরে ধীরে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া গড়ে তোলেন তারা। একপর্যায়ে জমে যায় তাদের জুটি।
প্রথম দিনের ৬ উইকেটে ২২৮ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেন রেগিস চাকাভা ও ডোনাল্ড তিরিপানো। তবে নিজেদের মধ্যে মেলবন্ধন গড়ে তুলতে পারেননি তারা। ভূমিকাতেই তিরিপানোকে ফিরিয়ে দেন আবু জায়েদ রাহী। সেই জের না কাটতেই এন্সলে এনদিলোভুকে বিদায় করেন তিনি।
শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। তবে রান তোলার গতিটা ভালো ছিল না তাদের। শেষ অবধি ৬ উইকেটে ২২৮ রান করে তারা। সেই পথে ক্যারিয়ারসেরা সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন প্রিন্স মাসভাউরে। অনবদ্য শতরানের ইনিংস খেলেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ক্রেগ অরভিন। ১৩ চারে ১০৭ রান করেন তিনি।
ইত্তেফাক/এসআই
