অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির বিদায়ী ম্যাচে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২০, ২২:০২

বৃষ্টি বিঘ্নিত তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের পাহাড় সমান রানের সামনে মলিন সফরকারি জিম্বাবুয়ে। রান তাড়া করতে শুরুতেই উইকেট হারিয়েছে দলটি। ২৮ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান করেছে তারা। জিততে হলে মাত্র ১৫ ওভারে তাদের আরো ১৭৪ রান করতে হবে, যা এই মুহূর্তে অসম্ভবের মতোই।  তাই অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির বিদায়ী ম্যাচে জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের দেয়া ৩৪২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। মাশরাফি বিন মুর্তজার করা প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে উইকেটের পেছনে লিটন কুমার দাসের হাতে ক্যাচ দেন তিনাসে কামুনহকামউয়ি। মাশরাফির পর জিম্বাবুয়ে শিবিরে দ্বিতীয় আঘাত করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দলীয় ২৮ রানের মাথায় তার বলে শর্ট মিডউইকেটে মোহাম্মদ মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ব্রেন্ডন টেলর। ১৫ বলে ৩ চারে ১৪ রান করে যান তিনি। তৃতীয় উইকেটে জিম্বাবুয়েকে টানছিলেন শন উইলিয়ামস ও রেগিস চাকাবা। দলীয় ৭৪ রানের মাথায় এই জুটি ভাঙেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। তিনি সরাসরি বোল্ড করে দেন উইলিয়ামসকে। রেগিস চাকাবাকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়ের চতুর্থ  উইকেটের পতন ঘটান তাইজুল ইসলাম। আর সাইফের দ্বিতীয় শিকার হয়ে মাঠ ছাড়ে ওয়েসলি মাধভেরে।

শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে রেকর্ড ২৯২ রান করেন লিটন দাস ও তামিম ইকবাল। এটি বাংলাদেশের যে কোন উইকেটে সর্বোচ্চ জুটি। এর আগে প্রথম উইকেট জুটিতে সর্বোচ্চ রান ছিল ১৭০। যা ১৯৯৯ সালে মেহরাব হোসেন অপি ও আল শাহরিয়ার রোকন করেছিলেন।

তামিম ইকবাল ১২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। লিটন দাস ১৭৬ রানে আউট হন। তিনি ১৪৩ বলে ১৬টি চার ও ৮টি ছক্কায় এই রান করেন। এটি বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান। এর আগে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ছিল তামিম ইকবালের ১৫৮ রান। বৃষ্টির কারণে ২ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ ৪৩ ওভার খেলার সুযোগ পায়। নির্ধারিত ৪৩ ওভারে ৩২২ রান করে স্বাগতিকরা। বৃষ্টির কারণে ওভার কমে যাওয়ায় জিম্বাবুয়ের টার্গেট হয়েছে ৩৪২ রান।

ইত্তেফাক/ইউবি