গোপালগঞ্জে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ঢাকার উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা সৈয়দা ফাহিমা বেগমের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতির খবর দিয়েছেন চিকিত্সকরা। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় ফাহিমার বিচ্ছিন্ন হাতটি জোড়া লাগানোর পর তাতে রক্ত সঞ্চালন হচ্ছে। তবে ৭২ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত আপাতত আর কিছু বলা যাবে না।
উইলস লিটল ফ্লাওয়ারের ১২৫ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী মঙ্গলবার চারটি মিনিবাস ও দুটি মাইক্রোবাস নিয়ে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য।
আরও পড়ুন: বারেবারে বস্তি পোড়ে, পোড়ে ওদের কপালও
বহরের একটি বাস গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাথালিয়া এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খেলে বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং শিক্ষিকা ফাহিমার হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিত্সার পর ফাহিমাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় এনে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে পৌনে সাত ঘণ্টার লম্বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার বিচ্ছিন্ন হাতটি জোড়া লাগান চিকিত্সকরা।
ইত্তেফাক/বিএএফ

