বাড়ির বাইরে যাওয়ার উপায় নেই। সব রকমের খেলাধুলাও বন্ধ। তবে বাড়িতে বসেই স্বাস্থ্য সুরক্ষার সব রকম বিধি মেনে চলছেন জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ব্রেন্ডন টেলর। তবে, একই সঙ্গে হতাশাও কাজ করছে তার মধ্যে।
টেলর মনে করেন, করোনা ভাইরাসের প্রকোপে বড়ো ক্ষতি হয়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের। জিম্বাবুয়ের সাপ্তাহিক দ্য স্ট্যান্ডার্ডকে তিনি এক সাক্ষাত্কারে বলেছেন, ‘ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, এই বিরতি আমাদের কোনো উপকারে আসছে না। আমরা এমনই একটি দল, যাদের এখন প্রতিনিয়ত আরো বেশি করে ক্রিকেট খেলা উচিত। আমরা সব সময়ই ক্রিকেট খরায় ভুগেছি। এই বছর আমাদের আন্তর্জাতিক সূচিটা ঠাসা ছিল। কিন্তু পুরোটাই এখন করোনার মহামারিতে এলোমেলো। তাই এই সময়টা আমাদের জন্য সবচেয়ে হতাশার ও কষ্টদায়ক।’
টেলর ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া আরেকটি সাক্ষাত্কারে বাড়িতে কাটানো সময়ের অভিজ্ঞতা জানান। বললেন, ‘আমাদের অবশ্যই হাত ধোয়া খুব প্রয়োজন। আমি মনে করি, প্রতিদিন অন্তত ১৫ থেকে ২০ বার আমি হাত ধুই। আমরা এটাকে খুব সিরিয়াসলি নিয়েছি। আশা করি এই অভ্যাসটা চিরদিনের জন্যই গড়ে উঠবে। আপনার হাত সব কিছুই স্পর্শ করছে। সুতরাং, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে, এই বিষয়টাকে আপনি সম্মান করবেন।’
এই ফাঁকা সময়টাতে কি তাহলে আপনি আপনার সঙ্গীকে ভালো কোনো সহযোগিতা করছেন বলে মনে করেন? ব্রেন্ডন টেলর খুব সহজভাবে উত্তরটা দিলেন না। তিনি বলেন, ‘এটা একটু ভিন্ন বিষয়। আগে আপনাকে বুঝতে হবে যে, আপনার প্রতিদিনের রুটিন পরিবর্তন হয়ে গেছে। সব সময়ই আপনি একটা জায়গা তৈরি করে নিয়ে চলছেন। বিষয়টাতে ভুল কিছু ছিল না। তবে, ভিন্ন রকমের সম্পর্ক তৈরি করেছে এর মাধ্যমে। এই সময়টা সঙ্গীর সঙ্গে বেশি বেশি সময় কাটানো হচ্ছে। আগে তো এমন হতো না। কারণ, আমি তো সব সময় সফরের মধ্যেই থাকি। আমি এখানে কিছুটা রান্নাবান্নাও করছি। তবে, সে (টেলরের স্ত্রী) গৃহস্থালির কাজটা খুব ভালোভাবেই সামলে নেয়।’
আপনি কি এই প্রথম কোনো কিছু রান্নার চেষ্টা করেছেন? জবাবে টেলর বলেন, ‘আমি খুব বাজে রাঁধুনী। তবে গত দুই সপ্তাহ এটাকে আমি খুব উপভোগ করছি। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই আমরা আমাদের বাচ্চাদের জন্য কিছু বার্বিকিউ তৈরি করছি। তারাও এটা থেকে শিখছে। এটা খুব মজার বিষয়।’
ইত্তেফাক/আরআই
