করোনা ঝুঁকির মধ্যেই আগামী ২৫ এপ্রিলের পর থেকে গার্মেন্টস কারখানা চালু করতে চান পোশাক শিল্প মালিকরা। বিশেষত, যাদের হাতে রপ্তানি আদেশ রয়েছে, তারা কারখানা চালু করতে চাইছেন। যদিও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পুরো দেশকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইত্তেফাককে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গাইডলাইন ও অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতার আলোকে শ্রমিকদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কীভাবে কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চালু করা যায়, আমরা তা ভাবছি। কেননা, যেসব ক্রয়াদেশ আমাদের হাতে রয়েছে, তা জাহাজীকরণের জন্য চাপ বাড়ছে। অন্যথায় এসব রপ্তানি আদেশ চীনসহ অন্যদেশে নিয়ে যাবে বলে ব্র্যান্ডগুলো বলে আসছে। এজন্য প্রয়োজনে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য বীমার বিষয়টিও নিশ্চিত করার কথাও আলোচনায় রয়েছে। অবশ্য এমন আলোচনার মধ্যেই গতকাল সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পুরো দেশকেই করোনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে মানুষের চলাচলে আরো কড়াকড়ি আরোপ করেছে।
শ্রমিক নেত্রী জলি তালুকদার ইত্তেফাককে বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগে কারখানা চালু করা হলে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি আরো বেড়ে যাবে, যা বড়ো বিপদ ডেকে আনতে পারে। বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, অর্থনীতির স্বার্থে কারখানা চালু করা দরকার। কিন্তু তা শ্রমিকের জীবনের বিনিময়ে নয়। পরিস্থিতির উন্নতি হলেই আমরা করখানা খোলার কথা চিন্তা করতে পারি।
ইত্তেফাক/আরকেজি
