ব্যবহৃত মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ডগ্লাভস পুনরায় বিক্রি

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২০, ২০:০৫

ব্যবহৃত মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ডগ্লাভস বিভিন্ন হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থান থেকে সংগ্রহ করে পূনরায় বাজারজাত করছে একটি চক্র। 

এ চক্রটি বেশ কয়েকটি হাসপাতাল ও আবাসিক এলাকা থেকে সংঘবদ্ধভাবে মেডিকেল বর্জ্য বিশেষ করে বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহৃত মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ডগ্লাভস সুকৌশলে সংগ্রহ করে তা ঢাকার কামরাঙ্গীরচর, কেরাণীগঞ্জ ও মিটফোর্ড এলাকার বেশ কিছু চক্রের কাছে বিক্রয় করে। পরে তারা সেগুলো যেনতেনভাবে ধুয়ে প্রক্রিয়াজাতকরণ করে বাজারজাত করছে।

শুক্রবার রাত ১১টার দিকে র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে  র‌্যাব-১ এবং ভাটারা থানা যৌথভাবে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন ফাঁসেরটেক বালুর মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৩ বস্তা ব্যবহৃত মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ডগ্লাভসসহ অন্যান্য মালামাল জব্দ করে। এ সময় এ চক্রের মূলহোতা মনির হোসেনকে আটক করা হয়।

 

মনির হোসেন জিজ্ঞাসাবাদে জানান- তিনি তার চক্রের অন্য সদস্যদের সহযোগিতায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে সুকৌশলে এ ধরণের মেডিকেল বর্জ্য সংগ্রহ করে।

আরো পড়ুন : অনুমোদনহীন টেস্টিং কিট ব্যবহার করা যাবে না : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

উল্লেখ্য, ঢাকা শহরের সকল হাসপাতালের বর্জ্য সরকার এবং জাইকার অর্থায়নে প্রিজম বাংলাদেশ নামক একটি সংস্থা সংগ্রহপূর্বক ডেমরাস্থ স্যানিটারি ল্যান্ডফিল্ডে ডাম্পিং করার কথা। কিন্ত আটককৃত ব্যক্তির বক্তব্য অনুযায়ী জানা গেল হাসপাতাল এবং প্রিজম বাংলাদেশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের জ্ঞাতসারে এসব বর্জ্য এভাবে বাইরে নিয়ে এসে বিক্রয় করে দেয়া হচ্ছে, যা জনস্বাস্থের জন্য ভয়ানক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। পরে মনিরকে ২ বছরের কারাদণ্ড দেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। 

সারওয়ার আলম জানান, এ চক্রের অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যাদের অবহেলায় এ সব বর্জ্য যথাযথ পক্রিয়ার বাইরে আসলো তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইত্তেফাক/ইউবি