রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলা ক্রিকেট। পাঁড় ক্রিকেট ভক্তমাত্রই সব রেকর্ড মনে গেঁথে রাখতে চান। অজস্র সব রেকর্ডের ভিড়ে এমন ভূতুড়ে কিছু কীর্তিও হয় যা সবার নজর এড়িয়ে যায়। এমন কিছু রেকর্ডে আবার জড়িয়ে আছে শেন ওয়ার্ন, মিসবাহ উল হক, সনাথ জয়সুরিয়া, ব্রায়ান লারা এমনকি ডন ব্রাডম্যানের নামও।
টেস্টে সেঞ্চুরি ছাড়া
সর্বোচ্চ রান
টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা বোলার লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন লোয়ার অর্ডারে ১৯৯ ইনিংসে ব্যাট করে ১২ টি হাফ সেঞ্চুরিতে ৩১৫৪ রান করেছেন। কোনো সেঞ্চুরি না পেয়েও টেস্টে এর আগে কেউ ৩ হাজারের বেশি রান করতে পারেননি। ২০০১ সালে পার্থে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ৯৯ রান করেন তিনি।
ওয়ানডে সেঞ্চুরি ছাড়া সর্বোচ্চ রান
টেস্টে যে রেকর্ডটা ওয়ার্নের দখলে, ওয়ানডেতে তার মালিক সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক মিসবাহ উল হক। ১৬২ ওয়ানডে ম্যাচে তিনি ৫১২২ রান করেন ৪২ টি হাফ সেঞ্চুরিতে। সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটা ৯৬ রানের। সেটা ছিল ২০১৩ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
ওয়ানডেতে
সর্বোচ্চ ডাক
শুনতে অবাক লাগলেও ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ডাক-এর শিকার ব্যাটসম্যানটির নাম সনাথ জয়াসুরিয়া। সর্বোচ্চ ৩৪ বার তিনি কোনো রান করার আগেই ফিরেছেন সাজঘরে। যদিও, ৪৪৫ টি ওয়ানডে খেলে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার রান করেছেন তিনি। এর মধ্যে ছিল ২৮টি সেঞ্চুরি ও ৬৮টি হাফ সেঞ্চুরি।
হেরে যাওয়া টেস্টে সর্বোচ্চ রান
২০০১ সালের কথা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংসে যথাক্রমে ২২১ ও ১৩০ রান করেছিলেন ব্রায়ান লারা। যদিও, সেই টেস্টে শেষ অবধি ১০ উইকেটের বড়ো ব্যবধানে হারে ক্যারিবিয়ানরা। টেস্ট ক্রিকেটে হেরে যাওয়া ম্যাচে কোনো ব্যাটসম্যানের এটাই সবচেয়ে বেশি রানের নজির।
টেস্টে ৭ নম্বরে নেমে সর্বোচ্চ রান
টেস্টের ৭ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ২৭০ রান, এও কি সম্ভব? বাস্তবতা হলো এই অসম্ভব কাজটাই করেছিলেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। ১৯৩৭ সালের অ্যাশেজে মেলবোর্নে তিনি সাত নম্বর পজিশনে খেলতে নেমে ৩৭৫ বলে করেছিলেন ২৭০ রান। অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ৩৬৫ রানের বড়ো ব্যবধানে জেতে।
ইত্তেফাক/এসআই
